June 24, 2025

স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গতিশীলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই - ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর উন্নয়নে দক্ষ জনবল ও আধুনিক প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের প্রতিটি পর্যায়ে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং গতিশীলতা নিশ্চিত করতে আধুনিক দাপ্তরিক ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। প্রযুক্তিনির্ভর অফিস ও ফাইল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এবং মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার আধুনিক কৌশল অবলম্বন করা এখন সময়ের দাবি। তাই সুষ্ঠু অফিস ব্যবস্থাপনা, ডকুমেন্টেশন ও তথ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা অর্জনের জন্য এ ধরনের কর্মশালা একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ।’ আজ মঙ্গলবার (২৪ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের ৩১১ নং সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত “অফিস ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ডকুমেন্টেশন” বিষয়ক দিনব্যাপী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো যতই শক্তিশালী হোক না কেন, এর কার্যকর বাস্তবায়ন নির্ভর করে দক্ষ, সময়ানুবর্তী ও সুশৃঙ্খল অফিস ব্যবস্থাপনার উপর। তথ্যের সঠিক প্রবাহ, নথিপত্রের যথাযথ সংরক্ষণ, দাপ্তরিক শৃঙ্খলা এবং আন্তঃবিভাগীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রাণপ্রিয় এই ডুয়েটকে সর্বক্ষত্রে উল্লেখযোগ্য অবস্থানে নিয়ে যাবো।’ তিনি এই ধরনের কর্মশালা আয়োজনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি) ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

আইকিউএসি-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন ডুয়েটের কম্পট্রোলার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘মানসম্পন্ন সেবা প্রদানে দক্ষ প্রশাসনিক কর্মী একটি প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি। আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে একটি শক্তিশালী ও দক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তুলতে নিবিড়ভাবে কাজ করছি। আমি বিশ্বাস করি, এই কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে সুষ্ঠু অফিস ব্যবস্থাপনা, ডকুমেন্টেশন ও তথ্য সংরক্ষণে সক্ষমতা আরও সুদৃঢ় এবং দৈনন্দিন কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।’ 

কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম অফিস ব্যবস্থাপনার আধুনিক পদ্ধতি, সরকারি নীতিমালা, নথি সংরক্ষণের কৌশল, ডিজিটাল ফাইল মেইনটেনেন্স, রেকর্ডকিপিং, অফিসিয়াল যোগাযোগ ইত্যাদি বিষয়ে বিশদ আলোচনা করেন। তিনি অংশগ্রহণকারীদের বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে উদাহরণসহ কৌশলগত দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে কর্মশালাটি সমাপ্ত হয়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদ, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, বিভিন্ন অফিস ও শাখা এবং হলের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

June 23, 2025

শিক্ষা ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ ও গুণগত মানোন্নয়নে অ্যাক্রেডিটেশন একটি চলমান প্রক্রিয়া- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, শিক্ষা ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ, গুণগত মানোন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয় র‍্যাংকিংয়ে অগ্রগতি এবং বিশ্বমানের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে হলে আমাদের প্রতিটি বিভাগকে স্ব-মূল্যায়ন ও অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়া আরও জোরদার করতে হবে। অ্যাক্রেডিটেশন কেবল একটি সনদ নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া; যা শিক্ষার মান, দক্ষতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির দিক থেকে প্রতিষ্ঠানের অবস্থান সুদৃঢ় করে। ডুয়েটের সকলে যদি একযোগে কাজ করি, তবে আমাদের পক্ষে মানসম্পন্ন, সময়োপযোগী শিক্ষা এবং দেশ-বিদেশের অ্যাক্রেডিটেশন লাভ করা সম্ভব হবে।’ আজ সোমবার (২৩ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের ৩১১ নং সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘‘দি ইম্পর্ট্যান্স অব অ্যাক্রেডিটেশন ইন এডুকেশন’’ শীর্ষক প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন একটি সমন্বিত প্রয়াসের ফলাফল। অ্যাক্রেডিটেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের কাছে দায়িত্বশীলতা এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে পারি। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্যোগে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রাণপ্রিয় এই ডুয়েটকে জ্ঞান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, উদ্ভাবন, গবেষণার উৎকর্ষতায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’ তিনি এই ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য আইকিউএসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণে রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল-এর পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. এস. এম. কবীর। প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘অ্যাক্রেডিটেশনের জন্য নির্দেশিত মানদন্ড অনুযায়ী স্ব-মূল্যায়ন, আউটকাম বেইজড এডুকেশন এবং নিরবিচ্ছিন্নভাবে ধারাবাহিকতা রক্ষা করা একটি প্রতিষ্ঠানের জন্য স্বীকৃতি ও শিক্ষাগত সাফল্যের চাবিকাঠি। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আমাদের মধ্যে দায়িত্ববোধ আরও সুদৃঢ় হবে এবং ডুয়েটকে একটি বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ 

প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে রিসোর্স পার্সন অধ্যাপক ড. এস. এম. কবীর অ্যাক্রেডিটেশনের উদ্দেশ্য, মানদন্ড, স্ব-মূল্যায়নের ধাপ এবং আউটকাম বেইজড এডুকেশনের পাঠ্যক্রম বাস্তবায়নের কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে প্রশিক্ষণটি সমাপ্ত হয়। প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, ইনস্টিটিউট পরিচালক ও অন্যান্য পরিচালকবৃন্দ, অতিরিক্ত পরিচালক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষকগণ এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগের বিভাগীয় প্রোগ্রাম সেল্ফ অ্যাসেসমেন্ট কমিটির সম্মানিত সদস্যবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

June 22, 2025

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও টেকসই উন্নয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অত্যন্ত জরুরি- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘পৃথিবীটা আমাদের সকলের। পরিবেশ বা প্রকৃতির প্রতি যত্নশীল হওয়া মানে নিজেকে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করা। বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো বিদ্যাপীঠে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন টেকসই ও মানবিক বিশ্ব গঠনে সচেতনতা সৃষ্টি ও পরিপূর্ণ পরিবেশবান্ধব ক্যাম্পাস রুপান্তরে অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। শুধু বৃক্ষরোপণ নয়, পরিবেশের অন্যান্য বিষয়ের প্রতিও আমাদের আরও সচেতন হতে হবে।’ আজ রবিবার (২২ জুন) দুইদিন ব্যাপী ‘ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

‘প্লাস্টিক দূষণ আর নয়/ বন্ধ করার এখনি সময়’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, ক্যাম্পাস ওয়েলফেয়ার ও নিরাপত্তা কমিটির আয়োজনে বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৫ উপলক্ষ্যে এ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, ক্যাম্পাস ওয়েলফেয়ার ও নিরাপত্তা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান। 

মাননীয় উপাচার্য আরও বলেন, ‘এই পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের অভিযানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সকলের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণ প্রাণপ্রিয় এই ডুয়েটকে সবুজায়ন ও পরিচ্ছন্ন রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি আশা করি।’ তিনি এই ধরনের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কমিটিসহ সকলকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘পরিবেশ সচেতনতায় এ ধরনের কর্মসূচি আমাদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা এবং ভবিষ্যতের জন্য তা টিকিয়ে রাখার দায়বদ্ধতা শেখাবে।’

এ সময় ক্যাম্পাসে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হয়। ‘ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি’-তে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউট ও অফিসের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

June 18, 2025

বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য গবেষণাই হলো অন্তর্নিহিত শক্তি- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনাম বৃদ্ধির জন্য একাডেমিক টাইমফ্রেম ও গবেষণা কার্যক্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যুগোপযোগী পরিবেশ সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য গবেষণাই হলো অন্তর্নিহিত শক্তি। তাই আজকের কর্মশালাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ।’ আজ বুধবার (১৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের ৩১১ নং সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত ‘পোস্টগ্রাজুয়েট রিসার্চ প্রোপ্রোজাল: টুলস্ এন্ড টেকনিকস্’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্যোগে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রাণপ্রিয় এই ডুয়েটকে জ্ঞান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, উদ্ভাবন, গবেষণার উৎকর্ষতায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’ তিনি এই ধরনের কর্মশালা আয়োজনের জন্য আইকিউএসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন ডুয়েটের পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন। কর্মশালাটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘গবেষণায় আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যে কোন সীমাবদ্ধতাকে মোকাবেলা করে গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যায়। আজকের কর্মশালা থেকে প্রাপ্ত টুলস্ ও টেকনিকস্গুলো অংশগ্রহণকারী শিক্ষকবৃন্দ শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়ে ডুয়েটকে একটি গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ 

কর্মশালার রিসোর্স পার্সন অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন একটি ভালো রিসার্চ প্রোপ্রোজাল লেখার টিপস্, টুলস্ ও টেকনিকস্ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি গবেষণা পদ্ধতির বিষয়ে আলোচনায় একটি ভালো রিসার্চ প্রোপ্রোজাল লেখার মাধ্যমে একজন গবেষক কিভাবে একটি গবেষণার কাজ শুরু করে গবেষণা কার্যক্রর্মটি সফলভাবে শেষ করবেন, তা বিস্তারিত তুলে ধরেন। এসময় তিনি পোস্টগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের বিভিন্ন নিয়ম-কানুন বিষয়ে আলোচনা করেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে কর্মশালাটি সমাপ্ত হয়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

May 09, 2025

প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তরুণ প্রজন্মের জন্য উদ্ভাবনী চিন্তা ও মেধা বিকাশের কার্যকর প্ল্যাটফর্ম- ডুয়েটের উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের শেষ প্রান্তে এসে আমরা পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের আগমনী বার্তা শুনতে পাচ্ছি। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয়, প্রস্তুতি ও ভবিষ্যৎ ভাবনার এক নতুন অধ্যায় শুরু হচ্ছে। এই দ্রæত পরিবর্তনশীল প্রযুক্তির সাথে বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় নিজেদেরকে খাপ খাইয়ে নেওয়া এবং সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বিজ্ঞান-প্রযুক্তি গবেষণায় উৎকর্ষ সাধন এবং উদ্ভাবনী চিন্তাগুলো সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। এ ধরনের প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা তথ্য-প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনী চিন্তা ও মেধা বিকাশ এবং সেই দক্ষতাগুলোর চর্চার জন্য একটি কার্যকর ও সময়োপযোগী প্ল্যাটফর্ম। এই প্রতিযোগিতা আমাদের বাস্তব সমস্যা সমাধানের দক্ষতা বাড়াতে সহায়তা করবে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা বিনিময়েরও সুযোগ ঘটবে।’

ডুয়েটের কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের আয়োজনে এবং ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটির সহযোগিতায় আজ শুক্রবার (০৯ মে) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে ডুয়েট আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিং কনটেস্ট (আইইউপিসি)- ২০২৫ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘এই তরুণ প্রজন্মই আগামী দিনের সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিবে। ডুয়েট একটি  প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে এই পরিবর্তনের নেতৃত্বে থাকার জন্য প্রস্তুত। আমরা গবেষণা, উদ্ভাবন এবং শিল্প-প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে শিক্ষার্থীদের এমনভাবে গড়ে তুলতে চাই, যাতে তারা কেবল দক্ষ পেশাজীবী নয়, বরং মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিজ্ঞানী, গবেষক, প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিবিদ হয়ে উঠতে পারে।’ এ সময় তিনি প্রাণপ্রিয় ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য সিএসই বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তথ্য-প্রযুক্তিতে উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিনির্ভর নতুন বাংলাদেশ গঠনে এ ধরনের আয়োজন বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সিএসই বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও অনুষ্ঠানের আহবায়ক অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবুল কাশেম, অধ্যাপক ড. মো. নাছিম আখতার, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, অধ্যাপক ড. মমতাজ বেগম, ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটির কাউন্সিলর ও সিএসই বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটির মডারেটর ও অনুষ্ঠানের অরগানাইজিং সেক্রেটারি সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক খাজা ইমরান মাসুদ। এছাড়া অরগানাইজিং সদস্য হিসেবে ডুয়েট কম্পিউটার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান বাপ্পি বক্তব্য রাখেন।

দুইদিন ব্যাপী আয়োজিত এই প্রযুক্তি উৎসবে দেশের ৯০ টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিত্বকারী দল ও প্রযুক্তিপ্রেমী শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করছে। প্রতিযোগিতার মুল ইভেন্টগুলো হলো প্রোগ্রামিং কনটেস্ট ও আইসিটি অলিম্পিয়াড। উল্লেখ্য, আগামীকাল শনিবার (১০ মে) বিকেলে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মাধ্যমে শেষ হবে এই প্রযুক্তি উৎসব।

May 08, 2025

খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রম করার মনোভাব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন,          ‘খেলাধুলা শিক্ষার্থীদের একাগ্রতা, ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা ও পরিশ্রম করার মনোভাব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের শিক্ষার্থীদের খেলাধুলাসহ যেসব সম্ভাবনার দীপ্তি আছে, সেসব সম্ভাবনাগুলো জাগিয়ে তুলতে হবে। আমি চাই, শিক্ষার্থীরা যেন নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পায়, যাতে তারা আগামী দিনের বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিতে পারে।’ 

আজ বৃহস্পতিবার (০৮ মে) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ক্লেমন আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য ক্লেমন আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘খেলাধুলায় জয়-পরাজয় থাকবেই, কিন্তু সবচেয়ে বড় অর্জন হলো সবাইকে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার মানসিকতা। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা চারিত্রিক গঠন, মানবিক গুনাবলি, গ্রæপভিক্তিক কাজে নেতৃত্বসহ বিভিন্ন গুনাবলি অর্জন করবে এবং খেলাধুলার ক্ষেত্রে ডুয়েটের সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি করবে ও দেশ একজন ভালো ক্রীড়াবিদ পাবে।’ এ সময় তিনি প্রাণপ্রিয় ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। 

বিশেষ অতিথি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘মানসিক প্রশান্তি, শারীরিক সুস্থতা ও একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থী খেলাধুলাসহ অন্যান্য এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিতে অংশগ্রহণ অব্যাহত রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি আশা করি, এই ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে সহনশীলতা, বন্ধুত্ব ও আত্মশক্তি জাগিয়ে তুলবে।’

এই ক্লেমন আন্তঃহল ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ফজলুর রহমান খান হল, ড. কুদরত-ই-খুদা হল, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল ও বিজয় ২৪ হলের ১০টি দল অংশগ্রহণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রোভোস্ট, সহযোগী পরিচালক, সহকারী প্রোভোস্ট এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

May 06, 2025

ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির সুরক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা খুবই জরুরি- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সুরক্ষা করা, স্বীকৃতি লাভ, স্বত্ব নিশ্চিত করা প্রত্যেক গবেষক, উদ্ভাবকের অধিকার। বিশ্বজুড়ে গবেষণা ও উদ্ভাবনের পরিধি যত বাড়ছে, ততই ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির গুরুত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া বর্তমান বিশ্বে উদ্ভাবন ও গবেষণাই টেকসই উন্নয়নের মূল ভিত্তি। কিন্তু এসব উদ্ভাবন যদি সুরক্ষিত না থাকে, তবে উদ্ভাবকের স্বীকৃতি ও বাণিজ্যিকীকরণের সুযোগ হারানোর আশঙ্কা থাকে। তাই একজন গবেষক বা উদ্ভাবকের চিন্তা, ধারণা ও সৃজনশীলতার আইনগত সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সম্পর্কে সচেতনতা খুবই জরুরি।’ আজ মঙ্গলবার (৬ মে) ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি রাইট’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে সেমিনারে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাপ্লায়েড কেমিস্ট্রি এন্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের (এসিসিই) অ্যাডভাইজরি কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর সাবেক জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) ড. মুহাম্মদ রবিউল আলম। রিসোর্স পার্সন হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস্ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (পেটেন্ট) আমিন মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। 

সেমিনারে উপাচার্য মহোদয় বলেন, ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান ছাড়া গবেষণার যথাযথ স্বীকৃতি ও সুরক্ষা সম্ভব নয়। আমি আশা করি, এ ধরনের সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে আমাদের শিক্ষক, গবেষকবৃন্দ এ বিষয়ে বিশদ ধারণা লাভ, আবেদন প্রক্রিয়া, নিবন্ধন পদ্ধতি সম্পর্কে গভীরভাবে জানবেন।' তিনি শিক্ষক, গবেষকদের মৌলিক কাজের স্বীকৃতির জন্য ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সুরক্ষার সংস্কৃতি গড়ে তোলার মাধ্যমে দেশ ও বিশ্বের দরবারে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় ও মর্যাদা বৃদ্ধির আহবান জানান। এ সময় তিনি সকলকে প্রাণপ্রিয় ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্ত¡ারোপ করেন। তিনি এ ধরনের সেমিনার আয়োজনের জন্য আয়োজক, আলোচক ও সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘বর্তমান জ্ঞানভিত্তিক সমাজে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির সুরক্ষার জন্য নিবন্ধন প্রক্রিয়া, বিধি-বিধান ও এ সম্পর্কে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক আইন-কানুন এবং নীতিমালা জানা খুবই প্রয়োজন। আজকের সেমিনারে এসব বিষয়ে জানার মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী শিক্ষক ও গবেষণাবৃন্দ উপকৃত হবেন।'

বিশ্বব্যাপী ২৬ এপ্রিল ‘ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি ডে’ উদযাপনের অংশ হিসেবে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডুয়েটের আইকিউএসি-এর উদ্যোগে পুরাতন একাডেমিক ভবনের ৩১১ নম্বর সেমিনার কক্ষে এই সেমিনারের আয়োজন করা হয়। আলোচকবৃন্দ শিক্ষা ব্যবস্থার আলোকে ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় (পেটেন্ট, কপিরাইট, ট্রেডমার্কস্ ও ডিজাইন রাইটস ইত্যাদি) নিয়ে ধারণা, আবেদন প্রক্রিয়া, নিবন্ধন পদ্ধতিসহ বিশ্লেষণ ও বিস্তারিত আলোচনা করেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে সেমিনারটি সমাপ্ত হয়। সেমিনারে ডুয়েটের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ও সহযোগী অধ্যাপকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

May 01, 2025

বিশ্বমানের গবেষণাগার ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ডুয়েট হবে উদ্ভাবনমুখী- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা ও গবেষণা নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন মানসম্পন্ন ও শিক্ষানুরাগী শিক্ষক, আধুনিক শ্রেণিকক্ষ, উন্নত গবেষণা অবকাঠামো এবং টেকসই আবাসন সুবিধা। বৈশ্বিক বাজারে কর্মসংস্থানের উপযোগী করে মানবসম্পদ তৈরি ও  বিশ্ববিদ্যালয়ে উদ্ভাবনমুখী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর গবেষণাগার গড়ে তুলতে হবে। কেননা, বিশ্বমানের গবেষণাগার ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে ডুয়েট হবে উদ্ভাবনমুখী।'

আজ বৃহস্পতিবার (১ মে) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) সৈয়দ মামুনুল আলম ডুয়েট পরিদর্শনকালে আয়োজিত এক সভায় উপাচার্য মহোদয় এসব কথা বলেন। সভায় ডুয়েটের 'গবেষণাগারসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন' শীর্ষক প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্পের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।

উপাচার্য মহোদয় বলেন, 'ডুয়েট দেশের টেকসই উন্নয়ন, উদ্ভাবন ও শিল্পায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। প্রযুক্তির দ্রæত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মেলাতে গবেষণাগার ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে ডুয়েটের সক্ষমতার উন্নয়ন জরুরি। আমরা আশা করছি, আন্তর্জাতিক মানের গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর বিশ্বের নেতৃত্বে অংশ নিতে পারবে আমাদের শিক্ষার্থীরা।' তিনি আরও বলেন, 'প্রায় ৩৫০০ শিক্ষার্থীর জন্য গবেষণাগার আধুনিকায়ন, একাডেমিক ও ল্যাবরেটরি ভবন নির্মাণ, নতুন ১৬০০ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসন সুবিধা এবং নিরাপত্তা ও আন্তঃক্যাম্পাস যোগাযোগের উন্নয়নই এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।' তিনি ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষক, শিক্ষার্থীসহ সকলকে শিক্ষা, বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রাণপ্রিয় ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্তারোপ করেন। এ সময় তিনি মহান মে দিবস উপলক্ষ্যে সকল শ্রমজীবী মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানান।

সভায় মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, 'এই প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি ও স্থাপনায় সমৃদ্ধ হয়ে ডুয়েট হয়ে উঠবে একটি আদর্শ গবেষণার সুতিকাগার।'

অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) সৈয়দ মামুনুল আলম ডুয়েটের সার্বিক অগ্রগতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্পের নানা বিষয় নিয়ে বিশদ আলোচনা ও গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্পটি যথাসময়ে বাস্তবায়নের জন্য সঠিক সময়সীমা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করা, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট রুলস ও রেগুলেশনস অনুযায়ী প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন ও তাদের যথাযথ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ প্রজেক্ট বাস্তবায়নে যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পরামর্শ প্রদান করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বাজেটসহ অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। সভা শেষে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, ল্যাব, হল ও অন্যান্য অবকাঠামো পরিদর্শন করেন।

সভায় পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অফিস প্রস্তাবিত উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ক একটি স্লাইড প্রেজেন্টেশন করে। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), কম্পট্রোলার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), প্রকল্প সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

April 30, 2025

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ একান্তভাবে জরুরি- ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন,          ‘খেলাধুলার মতো এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক। এটা ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, চরিত্র গঠন এবং নেতৃত্বদানের মতো নানাবিধ ভালো গুণাবলি অর্জনে ভূমিকা রাখে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং মেধা বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ একান্তভাবে জরুরি। তাই আমি মনে করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মেধা, মনন এবং দেহের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সৎ গুণাবলি অর্জন করবে।’ তিনি প্রাণপ্রিয় ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্ত¡ারোপ করেন।

আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামের সম্মুখ মাঠে আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম। 

অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, শৃঙ্খলা ও ক্রীড়াপ্রেম এই টুর্নামেন্টকে সার্থক করে তুলবে। আজকের এই প্রতিযোগিতা হোক তোমাদের ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ।’ তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। 

বিশেষ অতিথি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার উপস্থিত ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। আর খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অর্জন করা যায়। আমি আশা করি, এই আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় তোমরা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে অংশগ্রহণ করবে এবং তোমাদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সৃদৃঢ় হবে।’

এই আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ফজলুর রহমান খান হল, ড. কুদরত-ই-খুদা হল, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল ও বিজয় ২৪ হলের ১০টি দল অংশগ্রহণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রোভোস্ট, সহযোগী পরিচালক, সহকারী প্রোভোস্ট এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


April 27, 2025

জাইকার প্রতিনিধি দলের ডুয়েট পরিদর্শন ও সভা অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় নীতিমালা প্রণয়নে ভূমিকা ও শিল্পখাতে চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ মানবসম্পদ উন্নয়নে সম্ভাব্য প্রকল্প প্রণয়নের উদ্দেশ্যে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (জাইকা)-এর টেকনিক্যাল এডুকেশন এডভাইজারস্ টিমের প্রতিনিধিবৃন্দ আজ ২৭ এপ্রিল (রবিবার) ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর পরিদর্শন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার উপস্থিত ছিলেন। প্রতিনিধি দলের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের প্রধান উপদেষ্টা মিসেস সায়েরি মুটো এবং শিল্প ও একাডেমিক সহযোগিতা বিশেষজ্ঞ ও জাপানের ওসাকা সাংগিও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. এম. এম. আশরাফুল আলম।

সভায় মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘জাইকার প্রতিনিধি দলের ডুয়েট পরিদর্শন ও আজকের এই মতবিনিময় সভাটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা এবং শিল্পখাতের চাহিদার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ মানবসম্পদ উন্নয়নে জাইকার ভূমিকা প্রশংসনীয়। ডুয়েট প্রকৌশল, বিজ্ঞান, ও প্রযুক্তি শিক্ষায় উৎকর্ষ সাধনের জন্য দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে কাজ করে যাচ্ছে এবং দেশের শিল্পখাতের বিকাশে অবদান রাখতে প্রতিশ্রæতিবদ্ধ। ডুয়েটের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, গবেষণা কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে দক্ষতা বৃদ্ধিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য, একটি টেকসই, উদ্ভাবনমুখী এবং শিল্পমুখী মানবসম্পদ তৈরি করা, যারা দেশীয় ও বৈশ্বিক চাহিদা পূরণে সক্ষম হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জাইকার এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষার চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম আরও বেগবান হবে এবং দেশের শিক্ষা ও গবেষণার মানোন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করবে।’ তিনি মতবিনিময় সভায় জাইকার প্রতিনিধি দল ও উপস্থিত অন্যান্য সকলকে গুরুত্বপূর্ণ মতামত প্রদানের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘আজকের এই পরিদর্শন ও মতবিনিময় সভা থেকে প্রাপ্ত মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে আরও কার্যকরী পরিকল্পনা প্রণয়ন করা যাবে, যা উচ্চশিক্ষার অগ্রযাত্রায় এবং দেশের শিল্পখাতের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। আমরা জাইকার সঙ্গে ভবিষ্যতে আরও ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।’

সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের পরিচিতি, গবেষণা, প্রকাশনা, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাগুলো তুলে ধরা হয়। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা, পাবলিকেশন, কনফারেন্স, সেমিনার সংক্রান্ত তথ্য এবং আধুনিক ও উন্নত ল্যাব, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণা সংক্রান্ত স্ট্র্যাটেজিস্ ও পলিসিসহ দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক ভূমিকার বিষয়ে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পুরকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ইন-চার্জ) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, যন্ত্রকৌশল বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. হিমাংশু ভৌমিক, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. রফিকুল ইসলাম, মেটেরিয়াল্স এন্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওয়াসিম দেওয়ান, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ ও পুরকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. শিবলী আনোয়ার।

সভা শেষে প্রতিনিধি দলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ল্যাব পরিদর্শন করেন। এ সময় বিভাগের কার্যক্রম, শিক্ষা ও গবেষণা সরঞ্জাম ও সুযোগ-সুবিধার বর্তমান অবস্থা, অবকাঠামো, নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, শিক্ষা ও উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগসহ শিল্প-কারখানার সঙ্গে সহযোগিতা, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন পরিকল্পনা এবং কৌশলগত দৃষ্টিভঙ্গি, একাডেমিক জার্নাল বা প্রকাশনার তথ্য, বেসরকারি খাতের সঙ্গে সহযোগিতা এবং স্নাতকদের কর্মসংস্থানের অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেন। পরে বিকেলে প্রতিনিধি দলটি  বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের ৪১৪ নং সেমিনার কক্ষে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় মিলিত হয়।

April 24, 2025

ডুয়েটে ‘পোটেনশিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং জব এন্ড রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্কোপস ইন সোলার ফটোভোলটাইক এনার্জি টেকনোলজি’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘পোটেনশিয়াল ইঞ্জিনিয়ারিং জব এন্ড রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট স্কোপস ইন সোলার ফটোভোলটাইক এনার্জি টেকনোলজি’ শীর্ষক সেমিনার আজ বৃহস্পতিবার (২৪ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের উদ্যোগে ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত উক্ত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. শরাফত হোসেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ-এর ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. নওশেদ আমিন। 

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে টেকসই ও নবায়নযোগ্য শক্তির প্রয়োগ ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। এর মধ্যে সোলার ফটোভোলটাইক প্রযুক্তি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। এ খাতে রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা এবং অসংখ্য কর্মসংস্থানের সুযোগ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গবেষকগণ এসব ক্ষেত্রকে সামনে রেখে গবেষণা কার্যক্রম হাতে নিতে পারে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য সোলার ফটোভোলটাইক প্রযুক্তি এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দ্বার খুলে দিতে পারে।’ তিনি বলেন, ‘দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশনসহ নানা কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষা, গবেষণার উৎকর্ষতায় ডুয়েটকে শীর্ষস্থানীয় অবস্থানে নিয়ে যেতে আমরা কাজ করছি।’ তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলেই পরিবেশবান্ধব, টেকসই এবং দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিকভাবে লাভজনক বিষয়গুলোতে গবেষণায় আগ্রহী হয়ে প্রাণের এই বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।’ তিনি এই ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ ও আইকিউএসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ যে হারে বাড়ছে, তাতে দক্ষ প্রকৌশলীর চাহিদা ভবিষ্যতে আরও বেড়ে যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই সেমিনারটি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের জন্য গবেষণার নতুন দিকগুলোর প্রতি সুযোগ সৃষ্টি করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ 

সেমিনারে অধ্যাপক ড. নওশেদ আমিন ফটোভোলটাইক প্রযুক্তি, সৌর শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুতে রূপান্তরের বৈজ্ঞানিক কৌশল, উন্নতমানের সেল ম্যাটেরিয়াল, উচ্চ দক্ষতার সোলার মডিউল এবং সৌর প্যানেল ডিজাইন ও ইনস্টলেশন, পাওয়ার ইলেকট্রনিক্স, মডিউল ও ইনভার্টার অপ্টিমাইজেশন এবং স্মার্ট গ্রিড ইন্টিগ্রেশনের মতো ক্ষেত্রগুলোতে ইঞ্জিনিয়ারদের ভূমিকা ও নতুন নতুন চাকরির সুযোগের বিষয়ে বিস্তরিত তুলে ধরেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

April 20, 2025

ডুয়েটে ‘রিসার্চ মেথডস্: টুলস্ এন্ড টেকনিকস্’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘রিসার্চ মেথডস্: টুলস্ এন্ড টেকনিকস্’ শীর্ষক প্রশিক্ষণ আজ রবিবার (২০ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে আয়োজিত উক্ত প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। পবিত্র কোরআন থেকে তেলওয়াতের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই প্রোগ্রামে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে রিসোর্স পার্সন হিসেবে টেকনিক্যাল সেশন পরিচালনা করেন ন্যাশনাল ইউসিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান। প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি সঞ্চালনা করেন আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম। 

প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের জন্য একাডেমিক টাইমফ্রেম ও গবেষণা কার্যক্রম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। একইসঙ্গে শিক্ষাক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুণগত মান উন্নয়নের জন্য প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে যুগোপযোগী পরিবেশ সুনিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তাই আজকের প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি অংশগ্রহণকারীদের জন্য খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের উদ্যোগে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রাণের এই ডুয়েটকে জ্ঞান সৃষ্টি এবং শিক্ষা, গবেষণার উৎকর্ষতায় দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোলাবোরেশনের মাধ্যমে সকল ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবো।’ তিনি এই ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য আইকিউএসিসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান। 

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘গবেষণার মূল বিষয় হলো আগ্রহ। আগ্রহ ও আত্মবিশ্বাস থাকলে যে কোন সীমাবদ্ধতাকে মোকাবেলা করে গবেষণা কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া যায়। আজকের প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার গুণগত মান অধিকতর উন্নয়নের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ 

প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে রিসোর্স পার্সন ন্যাশনাল ইউসিভার্সিটি অব সিঙ্গাপুরের অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান ভালো গবেষক হওয়ার জন্য টিপস্, টুলস্ এন্ড টেকনিকস্ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তিনি গবেষণা পদ্ধতির বিষয়ে আলোচনায় একজন গবেষক কিভাবে একটি গবেষণার কাজ শুরু করে গবেষণা কার্যক্রর্মটি সফলভাবে শেষ করবেন, তা বিস্তারিত তুলে ধরেন। পরে প্রশ্নোত্তর পর্বের মাধ্যমে প্রশিক্ষণটি সমাপ্ত হয়। প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

April 17, 2025

ডুয়েটে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্র্থীদের নবীন বরণ-২০২৫ এবং ‘রুলস্ এন্ড রেগুলেশনস্ ফর ওবিই কারিকুলাম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ-২০২৫ সম্পন্ন হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে নবীন বরণ অনুষ্ঠিত হয়। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, অফিস প্রধান ও আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘রুলস্ এন্ড রেগুলেশনস্ ফর আউটকাম বেইজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মাননীয় উপ-উপাচার্য ও যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। অনুষ্ঠানে ডুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে ভর্তিকৃত আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগ্রামের নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। 

নবীন বরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাজিম উদ্দীন, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. শরাফত হোসেন, বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ আলম। স্বাগত বক্তব্য দেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুর রহমান।

অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন নবীন শিক্ষার্থীদেরকে ডুয়েটের সবুজ ও শিক্ষাবান্ধব ক্যাম্পাসে স্বাগত জানান। তিনি ডুয়েটের নিজস্ব মৌলিকত্বের মাধ্যমে ইতোমধ্যে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জনের বিষয়টি সকলকে অবগত করে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় উচ্চশিক্ষা, গবেষণায় ডুয়েটকে বিশ্বের দরবারে অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। নবাগত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘তোমরা ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে যেভাবে মেধার স্বাক্ষর রেখেছো, তেমনি আগামীতেও জ্ঞান অর্জন, গবেষণা ও উদ্ভাবনের মাধ্যমে দেশ ও বিদেশে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবে।’ এ সময় তিনি প্রকৌশল ও প্রযুক্তিগত শিক্ষা এবং গবেষণার উৎকর্ষতায় ডুয়েটকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়ে তাদের সময়ানুবর্তিতা মেনে ও শৃঙ্খলার সঙ্গে একাডেমিক কার্যক্রম সঠিকভাবে সম্পন্ন করা এবং সহ-শিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত হয়ে বিশ্বের দরবারে ডুয়েটের সুনাম আরও উজ্জ্বল করার জন্য সকলের প্রতি আহŸান জানান।

নবীন শিক্ষার্থীদের বরণ করে নেওয়ার পর ‘রুলস্ এন্ড রেগুলেশনস্ ফর আউটকাম বেইজড এডুকেশন (ওবিই) কারিকুলাম’ শীর্ষক সেমিনারের প্রেজেন্টেশন শুরু হয়। পরে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আর্থিক নিয়ম-নীতি সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কম্পট্রোলার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিম, পরীক্ষা সংক্রান্ত নিয়ম-কানুন বিষয়ে বক্তব্য রাখেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুল কাদের, যানবাহন সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন পরিচালক (যানবাহন) অধ্যাপক ড. নাঈম মো. লুৎফুল হক, ক্যাম্পাস পরিচিত তুলে ধরেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) দপ্তরের সহযোগী পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. ইজারদার সাব্বির হোসেন, ডুয়েটের লাইব্রেরির সুযোগ-সুবিধা সংক্রান্ত বিষয়ে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহমান ফরহাদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা সংক্রান্ত সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন মেডিকেল সেন্টারের অফিস প্রধান ও ডেপুটি চীফ মেডিকেল অফিসার ডা. রাবেয়া নাসরীন আখন্দ, আইসিটি বিষয়ে সুযোগ-সুবিধা তুলে ধরেন আইসিটি সেলের প্রোগ্রামার ইঞ্জিনিয়ার সোলাইমান আহমেদ। এছাড়া নবীন শিক্ষার্থীর পক্ষে থেকে প্রথম বর্ষের তিনজন শিক্ষার্থী তাদের অনুভূতি ব্যক্ত করেন। 

ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-এর উদ্যোগে এবং পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) এর দপ্তর ও রেজিস্ট্রার অফিসের সহযোগিতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, পরিচালক, হল প্রভোস্ট, অফিস প্রধান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। সবশেষে অনুষ্ঠানের সভাপতি হিসেবে রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) নবীন শিক্ষার্থীদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। 

April 15, 2025

ডুয়েটে তিনদিন ব্যাপী 'ফুড সিস্টেমস্ ইয়ুথ লিডারশিপ' শীর্ষক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘ফুড সিস্টেমস্ ইয়ুথ লিডারশিপ' শীর্ষক তিনদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ আজ মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) শেষ হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত তিনদিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান (ইন-চার্জ) অধ্যাপক ড. মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস, গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রিকালচারাল এন্ড বায়োরিসোর্স ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. এমদাদুল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের সায়েন্টিফিক অফিসার (ফুড টেকনোলোজি) জোহেব হাসান ফাহাদ। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গ্লোবাল অ্যালাইন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন)-এর প্রোজেক্ট কো-অর্ডিনেটর  ও স্কেলিং আপ নিউট্রিশন (সান) ইয়ুথ নেটওর্য়াক বাংলাদেশ-এর ফোকাল মেহেদী হাসান বাপ্পী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘তরুণদের খাদ্য ব্যবস্থাপনার টেকসই উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদানের জন্য প্রস্তত করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও নীতি-নির্ধারণের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণে দক্ষ করে তুলতে এই প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রশিক্ষণার্থীরা স্থানীয় ও বৈশ্বিক পর্যায়ে খাদ্য ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অবদান রাখতে শিখবে। বিশেষ করে তরুণদের মাঝে সচেতনতা, নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত  গ্রহণের সক্ষমতা গড়ে উঠবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী নতুন এই বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় এই তরুণ শিক্ষার্থীদের অতুলনীয় অবদান ও প্রেরণাকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ উদ্যোগে আমরা সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রাণের এই ডুয়েটকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এগিয়ে নিয়ে যাবো এবং বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই তরুণ শিক্ষার্থীরাই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।’ তিনি এ ব্যাপারে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের নিয়ে এই ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি বিষয়ক তত্ত¡ীয় ও প্রায়োগিক ক্ষেত্রে সমন্বয় সাধন ও তৃণমূল পর্যায়ে তা বাস্তবায়নের জন্য এই ধরনের প্রশিক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।’ তিনি শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান কাজে লাগানোর প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

প্রশিক্ষণে ডুয়েটের ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। স্কেলিং আপ নিউট্রিশন (সান) ইয়ুথ নেটওর্য়াক বাংলাদেশ ও  গ্লোবাল অ্যালাইন্স ফর ইমপ্রুভড নিউট্রিশন (গেইন) তিনদিন ব্যাপী এই প্রশিক্ষণটির সার্বিক সহযোগিতা করে।

April 14, 2025

ডুয়েটে নানা কর্মসূচিতে বর্ষবরণ

বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ- ১৪৩২ উদযাপন উপলক্ষ্যে আজ ১৪ এপ্রিল (সোমবার) সকালে ‘নববর্ষের ঐকতান/ ফ্যাসিবাদের অবসান’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখ থেকে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য নববর্ষ আনন্দ শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এ আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসারসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এবং বিভিন্ন অফিস প্রধানবৃন্দসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 

নববর্ষের আনন্দ শোভাযাত্রা শেষে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এবং মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। পরে বাংলা নববর্ষ উদ্যাপন উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরাতন একাডেমিক ভবনের সম্মুখে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে চিত্র প্রদর্শনী হয়। এছাড়া ডুয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষ- ১৪৩২ উদযাপিত হয়েছে।