April 14, 2026

নতুন বছরে প্রযুক্তির উৎকর্ষতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে ডুয়েটে বাংলা বর্ষবরণ উদযাপিত

বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনার সাথে উৎসবমুখর পরিবেশে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ বাংলা বর্ষবরণ উৎসব পালিত হয়েছে। বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উপলক্ষ্যে আজ ১৪ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকালে ডুয়েটের শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সামনে থেকে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্য বৈশাখী শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান। এ সময় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি ও বাঙালি জাতিসত্ত্বার সাংস্কৃতিক ভিত্তি পহেলা বৈশাখ উদযাপনের এ মুহূর্তে আমাদেরকে অতীতের গ্লানি মুছে নব উদ্যমে দীপ্ত শপথে বলীয়ান হয়ে দৃঢ়পদে সামনে এগিয়ে যেতে হবে এবং সম্মিলিত প্রয়াসে ডুয়েটকে এগিয়ে নিতে হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অর্জনসমূহ ধরে রেখে পঞ্চম শিল্পবিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তির উৎকর্ষতা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে আমরা যে অগ্রযাত্রা শুরু করেছি নতুন বছরে তা আরও বেগবান করতে হবে।’

উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, ‘ডুয়েটে বাস্তবায়নাধীন স্মরণকালের সবচেয়ে বড় এম-ডুয়েট প্রজেক্ট, চলমান গবেষণা কালচারসহ বিগত বছরের ঐতিহাসিক অর্জনগুলো ধরে রেখে নতুন বছরে এ ধারাকে আরও বেগবান করতে হবে। ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও পেশাগত জীবনে অতীতের যাবতীয় অপ্রাপ্তি ও অপূর্ণতা পূরণে নতুন বছরে আমাদেরকে আন্তরিকতার সাথে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাতে হবে।’ 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. খসরু মিয়া। পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাসের সভাপতিত্বে এতে বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রভোস্ট এবং অফিস প্রধানগণসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 

শোভাযাত্রা ও সমাবেশ শেষে শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবনের সামনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। পরে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি তুলে ধরে ডুয়েট শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া ডুয়েট স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণেও বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপিত হয়েছে।

April 13, 2026

এম-ডুয়েট প্রজেক্টের আওতাধীন ভবনসমূহের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলেন ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর দ্বিতীয় ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এম-ডুয়েট প্রজেক্টের আওতাধীন বিজয় ২৪ হলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কাজের আনুষ্ঠানিক শুভ উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধনকালে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘ডুয়েটের স্মরণাতীতকালের সর্ববৃহৎ এম-ডুয়েট প্রজেক্টের আওতায় গবেষণাগারসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ আধুনিকায়ন এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এম-ডুয়েট একটি স্মার্ট প্রজেক্ট হিসেবে একনেকে অনুমোদিত হয়েছে। অনুমোদনের পর থেকে এযাবৎ সংশ্লিষ্ট সকলের সততা ও নিষ্ঠাপূর্ণ নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে প্রজেক্টের বিভিন্ন ধাপ সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রজেক্টের সামগ্রিক বিষয়েও সততা, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ও সরকারি বিধি-বিধান অনুযায়ী বাস্তবায়নের কার্যকরী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আজ শিক্ষকদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ডুয়েট টাওয়ার বিল্ডিং এবং শিক্ষার্থীদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিজয় ২৪ হলের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজের শুভ উদ্বোধন করা হলো।’

উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, ‘সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতায় পরিপূর্ণভাবে প্রজেক্টটির বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে ডুয়েটের নেতৃত্বে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হবে। বিশেষ করে প্রজেক্টটির সুফল কাজে লাগিয়ে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অর্জনসমূহ ধরে রেখে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের অ্যাডভান্সড, ফ্রন্টিয়ার এবং কাটিং এজ টেকনোলজির দক্ষতা ও উৎকর্ষতা অর্জনেও ডুয়েটের অবদান দিন দিন সমৃদ্ধ হবে।’

এ সময় তিনি প্রজেক্টটির সূচনালগ্ন থেকে এযাবৎ এবং সর্বশেষ পর্যায় পর্যন্ত যারা শ্রম, ঘাম, মেধা, মনন দিয়ে সর্বতোভাবে সহযোগিতা করে আসছেন এবং করবেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে স্বাধীনতা রক্ষা করা যেমন কঠিন, তেমনি প্রকল্প পাওয়ার চেয়ে সেটির পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন কঠিন। আমরা নিজেদের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা দিয়ে এম-ডুয়েট প্রকল্পের পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন করে ডুয়েটের সক্ষমতা প্রমাণ করবো, ইনশাআল্লাহ।

এম-ডুয়েট প্রকল্পের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী ও ঠিকাদার, কেন্দ্রীয় মসজিদের খতিব, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, এর আগে এম-ডুয়েট প্রজেক্টের অধীনে শিক্ষকদের আবাসন সুবিধা বৃদ্ধির লক্ষ্যে মেইন ক্যাম্পাসে অবস্থিত টাওয়ার বিল্ডিংয়ের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজেরও উদ্বোধন করা হয়। তার আগে শিক্ষার্থীদের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল সংলগ্ন একটি সাইকেল শেড উদ্বোধন করা হয়। এর ফলে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবন আরও সুন্দর, নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হবে এবং ক্যাম্পাসে তাদের বাহনের নিরাপত্তাও নিশ্চিত হবে।

March 31, 2026

ডুয়েটে দেশের প্রথম আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড এডুকেশন পলিসি ল্যাব উদ্বোধন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের অধীন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড এডুকেশন পলিসি ল্যাব উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ডুয়েটের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ভবনে এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। ইউজিসির হায়ার এডুকেশন এক্সিলারেশন অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন (হিট) প্রজেক্টের সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহমান ফরহাদের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউএটিএফএস-এর চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. মো. শওকত ওসমান, বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামাল-আল-হাসান, মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মোছা. তহুরা পারভীন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই)  বর্তমানে অ্যাকাডেমিক ক্ষেত্রে সক্রিয় ও প্রভাবশালী টুল। পাঠদান, গবেষণা, মূল্যায়ন ব্যবস্থা এবং জ্ঞান সৃষ্টির কাঠামোতে এআই এমন এক রূপান্তর এনেছে, যা আমাদের প্রচলিত অ্যাকাডেমিক চিন্তাধারাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করছে। আমরা এখন পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের অর্জনসমূহ ধরে রেখে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার মাধ্যমে শিক্ষাখাতের বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনে সর্বস্তরে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের যথাযথ ব্যবহারের বিকল্প নেই। ডুয়েটের কারিকুলাম, অ্যাকাডেমিক, প্রশাসনিকসহ সকলক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আত্মীকরণের মাধ্যমে আমরা দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও গতিশীল, অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তুলতে সক্ষম হবো, ইনশাআল্লাহ।’

উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, ‘আজকের এ অনুষ্ঠান শুধু প্রথাগত উদ্বোধন অনুষ্ঠান নয়, বরং ল্যাবটির শুভযাত্রা শিক্ষাখাতে ইউজিসির প্রকল্প বাস্তবায়নে ডুয়েট শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতা মেধা, সৃজনশীলতা, কর্মদক্ষতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের প্রমাণ। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ সরকার ও ইউজিসির তত্ত্বাবধানে বাস্তবায়িত এ ল্যাব সরকারি অর্থের যথার্থ ব্যবহারে ডুয়েটের স্বচ্ছতা ও আন্তরিকতার যুগান্তকারী উদাহরণ।’ ভবিষ্যতের উদ্ভাবন বিপ্লবে নেতৃত্বদানের জন্য ডুয়েটকে আরও টেকসই হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ল্যাবটি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘নতুনভাবে যাত্রা শুরু করা এই ল্যাবটি ডুয়েটের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা কার্যক্রমকে যুগোপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ব্যবহার করে পলিসি মেকিং ও ইমপ্লিমেন্টেশনে এ ল্যাব দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রসমূহে কার্যকর ভূমিকা রেখে ডুয়েটের ভবিষ্যৎ অবদানকে আরও উজ্জ্বল করবে।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রুমা, সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. নাজিম উদ্দীন, মেটেরিয়ালস এন্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ, ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এন এম মোমিনুল ইসলাম মুকুট, টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুস সাহিদসহ অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, ডুয়েটের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড এডুকেশন পলিসি ল্যাবটি হিট প্রকল্পের অধীনে বাস্তবায়িত বাংলাদেশের এ সংক্রান্ত প্রথম ল্যাব। দেশের শিক্ষাখাতে জাতিসংঘের মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলসের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং বর্তমান সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী টেকনিক্যাল এডুকেশন সেক্টর সংস্কার করে বৈশ্বিক চাহিদা পূরণের উপযোগী করতে পলিসি প্রণয়নে ল্যাবটি ভূমিকা রাখবে।

March 26, 2026

যথাযোগ্য মর্যাদায় ডুয়েটে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে সকালে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। এর আগে সূর্যোদয়ের সময় শহিদ আবু সাঈদ প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্য মহোদয়ের বাস ভবন, লাইব্রেরি ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি শুরু হয়।

দিবসের অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিল জাতির শান্তি, অগ্রগতি ও মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বাদ যোহর বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। 

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার (২৫ মার্চ) জাতীয় গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে প্রাণ উৎসর্গকারী শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেও বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

March 04, 2026

প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিবাদলিপি

বরাবর

সম্পাদক/নির্বাহী সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক

প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যম, ঢাকা। 

বিষয় : প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিবাদলিপি। 

মহোদয়,

আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, অদ্য ০৪ মার্চ ও গত ০৩ মার্চ বিভিন্ন প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে  (দৈনিক যুগান্তর, ০৪ মার্চ, পৃষ্ঠা-১২; দৈনিক দিনকাল, ০৪ মার্চ, পৃষ্ঠা-০৭ এবং ০৩ ও ০৪ মার্চের দৈনিক জনকণ্ঠ, দৈনিক আজকের পত্রিকা, দৈনিক যায়যায়দিন, শেয়ার বিজ, দৈনিক ভোরের আলো, ডেইলি গাজীপুর-এর অনলাইন ভার্সনে) ডুয়েট ভিসির বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য সংক্রান্ত শিরোনামে একটি সংবাদ পরিবেশিত হয়েছে। 

এ বিষয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কর্তৃপক্ষের বক্তব্য নিম্নরূপ:

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর কর্তৃপক্ষ উল্লিখিত এমন ভিত্তিহীন ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। যথাযথভাবে সত্যতা যাচাই না করে ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এমন সংবাদ পরিবেশন করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণœ হয়েছে। অত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। এক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, যাচাই-বাছাইকরণ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার প্রতিটি ধাপে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম-কানুন শতভাগ অনুসরণ করা হয়েছে।

উল্লিখিত সংবাদমাধ্যমগুলোতে যন্ত্রকৌশল বিভাগের ০৩ জন প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে যে অনিয়মের উল্লেখ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এক্ষেত্রে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রার্থিত পদের বিপরীতে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট কর্তৃক অনুমোদিত কোয়ালিফিকেশন টেস্ট-এর ভিত্তিতে আবেদনকৃত প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই করে লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষাসহ সকল ধাপ যথাযথ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন করে অ্যাকাডেমিক রেজাল্টে স্ব স্ব সেশনে অনার্সসহ প্রথম স্থান অধিকারকারী সবচেয়ে যোগ্য প্রার্থীকেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া কতিপয়  গণমাধ্যমে ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক নিয়োগের বিষয়ে যে সকল অভিযোগ করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অবান্তর। বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল নিয়োগের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কমিটির মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন, পরীক্ষা গ্রহণ ও ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে নিয়মের কোনো ব্যত্যয় ঘটেনি। এছাড়া সেকশন অফিসার পদের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনার যে অভিযোগ উঠেছে তাও সম্পূর্ণ মিথ্যা।

সংশ্লিষ্ট প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমগুলোতে স্বজনপ্রীতি ও প্রভাব খাটানোর বিষয়ে যা উল্লেখ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য দায়িত্বপালনকালে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে তাদের কোনো আত্মীয়-স্বজন বা তথাকথিত ‘ঘনিষ্ঠজন’ নিয়োগ পায়নি। সুতরাং নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বজনপ্রীতি বা প্রভাব খাটানোর বিষয়টি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

অতএব, সংশ্লিষ্ট প্রিন্ট ও অনলাইন গণমাধ্যমে পরিবেশিত সংবাদটির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। ভবিষ্যতে যাচাই-বাছাই ব্যতীত এ ধরনের ভিত্তিহীন তথ্য ব্যবহার করে সংবাদ পরিবেশন না করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হচ্ছে। অত্র বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমগুলোকে এই প্রতিবাদলিপিটি গুরুত্বসহকারে ছাপানোর জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছে।

February 22, 2026

পবিত্র রমজান আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে নাজাতের পথ দেখায় – ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই প্রথমবারের মতো আয়োজিত হলো গণ ইফতার মাহফিল। আজ রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) শহীদ তাজউদ্দীন আহমেদ হলের সম্মুখস্থ সুবিশাল মাঠে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীবৃন্দের আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন ডুয়েটের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়বের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, 'আজকের এই আয়োজন কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়; এটি আমাদের আত্মশুদ্ধির, ঐক্যের এবং কৃতজ্ঞতার এক পরম মুহূর্ত। এ ধরনের আয়োজন পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সহমর্মিতা ও সৌহার্দ্য বৃদ্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।'

তিনি আরও বলেন, 'পবিত্র রমজান আমাদের শেখায় ধৈর্য, ত্যাগ, সংযম ও মানবতার প্রকৃত অর্থ। রহমত ও বরকতমণ্ডিত এ মাস আমাদেরকে আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মাগফিরাত ও নাজাত লাভের সুযোগ এনে দেয়। আর পরকালে আল্লাহপাকের দরবারে নাজাত লাভ করতে পারাই আমাদের ইহ ও পারলৌকিক সফলতা। রমজানের শিক্ষাকে ধারণ করে মানবিক মূল্যবোধ চর্চার মাধ্যমে আমাদের নিজেদেরকে আদর্শ নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। পারিবারিক বন্ধনের আবহে ডুয়েট শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস জীবন আনন্দমুখর করতেও এ ধরনের আয়োজন অনন্য ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি এ ধরনের আয়োজন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দূরত্ব ঘুচাতেও সহায়তা করে। ডুয়েটের চলমান অগ্রযাত্রাকে আরও বেগবান করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আয়োজন চালু থাকবে, ইনশাআল্লাহ।'

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপ-উপাচার্য বলেন, 'পবিত্র রমজান মাস হলো যাবতীয় পঙ্কিলতা থেকে দূরে থেকে নিজেকে পরিশীলিত ও পরিশুদ্ধ করার মাস। নিজেদের জীবনে এ মাসের শিক্ষা বাস্তবায়নের মাধ্যমেই আমরা দুনিয়াবি ও আখেরাতের সার্বিক সফলতা অর্জন করতে পারবো।'

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও দপ্তরের পরিচালক, বিভিন্ন হলের প্রভোস্ট, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।

ইফতারের আগে দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনায় বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে দেশ ও জাতির কল্যাণ, মুসলিম উম্মাহর শান্তি, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের অগ্রগতি এবং ডুয়েটের উত্তরোত্তর সাফল্য ও উন্নতির জন্য দোয়া করা হয়। ইফতার মাহফিল শেষে মাগরিব নামাজের পর ডুয়েট দাওয়াহ সার্কেলের উদ্যোগে হামদ, নাত, নাশিদ সহকারে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

February 21, 2026

শহিদদের আত্মত্যাগে উজ্জীবিত হয়ে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করতে হবে — ডুয়েট উপাচার্য

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে রাত ১২.০১ মিনিটে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীনের নেতৃত্বে ভাষা শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মাননীয় উপ-উপাচার্য, ডীন, বিভাগীয় প্রধান ও পরিচালকবৃন্দ। এরপর পর্যায়ক্রমে প্রভোস্টগণের নেতৃত্বে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) এর দপ্তর, অফিসার্স এসোসিয়েশন, কর্মচারী সমিতির পক্ষ থেকে ভাষা শহিদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এর আগে শুক্রবার রাত ১১:৩০ মিনিটে শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে মহান শহিদ দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. খসরু মিয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী সকল শহিদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক আত্মত্যাগের মাধ্যমে আমরা রাষ্ট্রভাষা হিসেবে মাতৃভাষা বাংলার মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছি। সর্বোচ্চ ত্যাগের মাধ্যমে মাতৃভাষার রাষ্ট্রীয় অধিকার আদায় করে পৃথিবীর ইতিহাসে আমরা অনন্য উদাহরণ সৃষ্টি করেছিলাম। এই আত্মত্যাগের আদর্শ ধারণ করেই পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে নানান আন্দোলন ও সংগ্রামের ফসল হিসেবে ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, জনগণের অধিকার ও ইনসাফ প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে দীর্ঘ লড়াই সংগ্রাম পার হয়ে ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদ হটানোর মাধ্যমে দেশে আজ গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, আমরা কোনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করি না। সকল ষড়যন্ত্রের বেড়াজাল ছিন্ন করে আমাদের অধিকার ও দাবি আদায়ের জন্য আমরা সকলেই এক কাতারে দাঁড়িয়ে সংগ্রাম করতে জানি। সেই সংগ্রামমুখর মন-মানসিকতা ও শহিদদের আত্মত্যাগের আদর্শ বুকে ধারণ করে আমরা ডুয়েটকে বৈষম্যহীন ও ইনসাফপূর্ণ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে দেশ ও বিশ্বের ইতিহাসে একটি অনন্য উদাহরণ সৃষ্টিকারী অবস্থানে নিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।’ এ সময় তিনি শহিদদের আত্মত্যাগে উজ্জীবিত হয়ে সবাইকে দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করার আহবান জানান। পাশাপাশি চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতির জন্য কার্যকর শিক্ষা, টেকসই গবেষণা সংস্কৃতি ও উদ্ভাবনে ডুয়েটের অগ্রযাত্রা আরও বেগবান করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের আন্তরিক সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার মহান ভাষা আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী ভাষা শহিদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান ও তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি বলেন, ‘শহিদদের স্মৃতি অম্লান রেখে তাঁদের স্বপ্নের দেশ গঠনে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে এগিয়ে আসতে হবে।’ এ সময় তিনি মহান শহিদ দিবসের তাৎপর্য ও ইতিহাস তুলে ধরে শিক্ষা, গবেষণা, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও অর্থনীতিসহ সকল ক্ষেত্রে বাংলা ভাষা চর্চার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, প্রভোস্ট, অফিস প্রধানগণসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মহান শহিদ দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে সূর্যোদয় থেকে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা হয়। এছাড়া অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বা’দ যোহর ভাষা শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া, শান্তি কামনায় মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুলের উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।

February 19, 2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ডুয়েট উপাচার্যের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় জনাব তারেক রহমানকে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার সংগ্রামের আপসহীন অগ্রসেনানী হিসেবে জনাব তারেক রহমান নির্বাসনে থেকেও দীর্ঘ ১৭ বছর যাবত অত্যন্ত দূরদর্শী ও উদ্ভাবনী রাজনৈতিক দর্শনের মাধ্যমে জাতিকে দিকনির্দেশনা দিয়ে গেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং তিনবারের সফল সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সুযোগ্য উত্তরসূরি জনাব তারেক রহমান দেশের অদম্য অগ্রযাত্রায় আজ প্রকৃত রাষ্ট্রনায়ক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন। তাঁর প্রজ্ঞা, নিষ্ঠা এবং রাজনৈতিক দূরদর্শিতা আজ বাংলাদেশকে পুনরায় গণতান্ত্রিক পথে সগৌরবে যাত্রা শুরুর সুযোগ এনে দিয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালনায় তাঁর অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন নেতৃত্বে বাংলাদেশে আইনের শাসন, বাকস্বাধীনতা এবং সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার স্থায়ীভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।’

উপাচার্য মহোদয় আরও বলেন, ‘জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশার প্রতীক হিসেবে নতুন সরকারের অভিযাত্রায় তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ উন্নয়ন, শান্তি ও সমৃদ্ধির এক অনন্য মাইলফলক অর্জন করবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস। রাষ্ট্র পরিচালনার এই নতুন ও ঐতিহাসিক দায়িত্বে আমরা তাঁর সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করছি।’

February 16, 2026

ডুয়েটের গৌরবময় অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে একাডেমিক কোলাবোরেশনের ভূমিকা অনস্বীকার্য - ডুয়েট উপাচার্য

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর সাথে ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার (ইউকেএম) এমওইউ স্বাক্ষর সংক্রান্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ডুয়েটের সভাকক্ষে অনলাইনে অনুষ্ঠিত এ সভায় উপস্থিত ছিলেন মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন।

আলোচনা অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘এই উদ্যোগের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে একাডেমিক জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ ঘটবে, যা আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কর্মমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তুলবে।’

উপাচার্য মহোদয় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এই একাডেমিক অংশীদারত্ব শুধু শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও গবেষকদের মধ্যে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকবে না— বরং এটি হবে ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক যৌথ যাত্রার সূচনা। ভবিষ্যতের উদ্ভাবনী ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এই এমওইউ-টি অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।’

মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘ডুয়েট ও ইউকেএম-এর যৌথ উদ্যোগ ডুয়েটের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে আরও শক্তিশালী করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’

ইউকেএম-এর সাথে হতে যাওয়া এমওইউ-এর আওতায় যৌথ একাডেমিক কার্যক্রম, সমন্বিত গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-গবেষক এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম, পারস্পরিক জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিনিময় থেকে শুরু করে যৌথভাবে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, কনফারেন্স আয়োজনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, মেটেরিয়ালস এন্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ, ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ওয়াসিম দেওয়ান, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব এবং অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। এ সময় ইউকেএমের পক্ষে আলোচনায় অংশ নেন প্রতিষ্ঠানটির স্পেস সায়েন্স সেন্টারের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ রাশেদ ইকবাল ফারুক।

উল্লেখ্য, মেডিসিন ও হেলথ সায়েন্স, ইঞ্জিনিয়ারিং ও বিল্ট এনভায়রনমেন্ট, ইকোনমিক্স ও ম্যানেজমেন্ট এবং আইটি ও সায়েন্স বিষয়ে ইউকেএম মালয়েশিয়ার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় এবং মর্যাদাপূর্ণ পাবলিক রিসার্চ বিশ্ববিদ্যালয়, যেটি ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ মালয়েশিয়া নামেও পরিচিত।

February 05, 2026

ডুয়েটের সাথে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়ার এমওইউ স্বাক্ষরিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর সঙ্গে বাংলাদেশের লিডিং প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান বিটোপিয়ার এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) উপাচার্য মহোদয়ের সভাকক্ষে এ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এবং মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। ডুয়েটের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব এবং বিটোপিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক জনাব মো. মনির হোসাইন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য মহোদয় বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি খাতের নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জ উত্তরণে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন আছে। শীঘ্রই নবনির্মিত আইসিটি ইনকিউবেটরের কার্যক্রম চালু হবে। এর মাধ্যমে ডুয়েট শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুম ও ল্যাবে অর্জিত তাদের তাত্ত্বিক জ্ঞানকে বাস্তবে রূপদানের সুযোগ পাবে। এছাড়া ডুয়েটের গবেষণাগারসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে চলমান ‘এম-ডুয়েট’ প্রকল্প সফলভাবে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হলে শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনে ডুয়েট সেন্টার অব এক্সিলেন্স-এ পরিণত হবে।’

উপাচার্য মহোদয় বিটোপিয়া গ্রুপকে তাদের গৃহীত উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘একাডেমিয়া-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কোলাবোরেশান, শিক্ষার্থীদের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এক্সপোজার, ইন্টার্নশিপ প্রদান এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে ডুয়েট এবং বিটোপিয়া গ্রুপ একসাথে কাজ করবে। এজন্যে ডুয়েটের পক্ষ থেকে পরামর্শক সেবা প্রদান থেকে শুরু করে ডিজাইন, উন্নয়ন, উৎপাদন ও বিপণনে সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।’

ডুয়েটের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘ডুয়েট এবং বিটোপিয়া গ্রুপের মধ্যকার আজকের এই এমওইউ স্বাক্ষর আমাদেরকে লোকাল এবং গ্লোবাল লক্ষ্য অর্জনে সহায়তা করবে। ডুয়েট শিক্ষার্থীদের মেধা এবং একাডেমি-ইন্ডাস্ট্রি কোলাবোরেশনে বিটোপিয়া প্রদত্ত সুযোগ একত্র হলে অচিরেই দেশকে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী গবেষক ও বিজ্ঞানী তৈরির অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠবে ডুয়েট।’

আইটি ইনকিউবেশন অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এক্সপোজার, ট্যালেন্ট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড রিক্রুটমেন্ট, বিজিনেস-ইউনিভার্সিটি-গভর্নমেন্ট (বি টু ইউ টু জি), কম্যুনিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ক্যাপাসিটি বিল্ডিংয়ের ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম প্রসারিত করার প্রত্যয়ে এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রুমা, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড  ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. মমতাজ বেগম, মেটেরিয়ালস এন্ড মেটালার্জিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ, আইসিটি সেলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী প্রমুখ। বিটোপিয়া গ্রুপের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন গ্রুপটির প্রশাসন ও আইন শাখার প্রধান মো. রেজাউল করিম, মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান মো. সাজেদুল ইসলাম এবং চীফ স্ট্র্যাটেজি অফিসার মোহা. আশরাফুল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

উল্লেখ্য, বিটোপিয়া গ্রুপ বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড সলিউশন, ডাটা সেন্টার, বিপিও, এবং ফিনটেকের মতো প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে। বর্তমানে এশিয়া, আমেরিকা, ইউরোপের বিভিন্ন দেশে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম বিস্তৃত আছে।

February 05, 2026

ডুয়েটে ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬’ উদযাপিত

‘জ্ঞানেই মুক্তি/আগামীর ভিত্তি’- এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার বিকালে (৫ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে দিবসটির শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। 

উদ্বোধন শেষে আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞান উৎপাদন ও বিতরণের স্থান। আর লাইব্রেরি হচ্ছে সেই জ্ঞানের সংরক্ষণাগার। গ্রন্থাগার সমাজ তথা দেশকে বৈষম্যহীন করে গড়ে তুলতে বিজ্ঞান-প্রযুক্তিক্ষেত্রে গবেষণা, সংস্কৃতিচর্চা, চেতনা ও মূল্যবোধের বিকাশে তরুণ প্রজন্মকে আলোর পথ দেখায়। ইতোমধ্যে যুগোপযোগী ও আধুনিক পাঠোপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে ডুয়েটের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিকে সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’ এ সময় তিনি মুক্তিযুদ্ধ কর্ণার এবং বিজয়-২০২৪ কর্ণারের জন্য দুটি অ্যালবাম উন্মোচন করেন। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সঠিক ইতিহাস জানাতে এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনে অ্যালবামগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি তিনি কোহা আইএলএস সফটওয়্যারের মাধ্যমে বই ইস্যু সেবার উদ্বোধন করেন। এর ফলে লাইব্রেরির রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, ক্যাটালগিং, বই আদান-প্রদান, রিপোর্ট তৈরির কাজকে আরও সহজ ও গতিশীল করতে এ পদক্ষেপ অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। শুরু থেকে এ পর্যন্ত ডুয়েটের গৌরবময় অগ্রযাত্রার ইতিহাসকে সংরক্ষণের জন্যে ডুয়েট কর্ণার গড়ার বিষয়েও নির্দেশনা দেন তিনি। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। তিনি বলেন, ‘একটি জাতিকে উন্নয়নের শিখরে নিয়ে যেতে জ্ঞানচর্চার বিকল্প নেই। আর জ্ঞানচর্চার আধার হলো গ্রন্থাগার। আমি শিক্ষা ও গবেষণায় উৎকর্ষ সাধনের মাধ্যমে নিজেকে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ার জন্য সবাইকে লাইব্রেরিতে এসে আনন্দময় পরিবেশে বেশি বেশি করে বই পড়ার আহবান জানাই।’ লাইব্রেরির অবকাঠামোগত উন্নয়ন থেকে শুরু করে সার্বিক মান উন্নয়নে ডুয়েট প্রশাসনের আন্তরিক সহযোগিতা সর্বদা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। 

কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির লাইব্রেরিয়ান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মো. আবদুর রহমান ফরহাদের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. রুমা, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব, পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস ও চেয়ারম্যান (আইসিটি সেল) অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী। 

ডেপুটি লাইব্রেরিয়ান মো. আবু আউয়াল সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, অফিস প্রধান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

February 02, 2026

ডুয়েট এবং ইন্দোনেশিয়ার পিপিএনএস-এর মধ্যে এমওইউ স্বাক্ষরিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর এবং ইন্দোনেশিয়ার পিপিএনএস-এর মধ্যে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। মানবসম্পদ বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রযুক্তির ক্ষেত্রকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিক্ষা, গবেষণা ও কমিউনিটি সার্র্ভিস বিষয়ে সহযোগিতা সম্প্রসারণের উদ্দেশ্যে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গতকাল রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) ডুয়েটের সভাকক্ষে এই এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন এবং মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। 

মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘এই সমঝোতা স্মারক উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা ও প্রযুক্তির সেতুবন্ধনের মাইলফলক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা ও সংস্কৃতির মধ্যে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। ফলে একাডেমিক জ্ঞান বিনিময়, গবেষণা সহযোগিতা এবং শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ বৃদ্ধি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, কর্মমুখী ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে তুলবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের প্রস্তুতি গ্রহণ করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করা এবং এই পরিবর্তনে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য আমাদের শিক্ষার্থীদের উপযোগী করে গড়ে তোলাই ডুয়েটের লক্ষ্য। পিপিএনএস-এর সঙ্গে এই এমওইউ সেই দিগন্ত উন্মোচনের আরেকটি নতুন পদক্ষেপ, যা শিক্ষা, গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার ভিত্তিকে সুদৃঢ় করবে।’ 

উপাচার্য মহোদয় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এই একাডেমিক অংশীদারত্ব শুধু শিক্ষার্থী বা শিক্ষকদের মধ্যে এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামেই সীমাবদ্ধ থাকবে না— বরং এটি হবে ভ্রাতৃপ্রতিম দুই দেশের মধ্যে মেধা, সৃজনশীলতা ও প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের এক যৌথ যাত্রা। এই সহযোগিতা ভবিষ্যতের উদ্ভাবনী ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।’

মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘ডুয়েট ও পিপিএনএস-এর যৌথ উদ্যোগ ডুয়েটের উচ্চশিক্ষা, গবেষণা ও ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া কোলাবোরেশনকে আরও শক্তিশালী করে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আমরা আশা করি, এটি দুই দেশের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার বিনিময়কে আরও সম্প্রসারিত করবে এবং আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার সম্ভাবনা উন্মোচন করবে।’

মাননীয় উপাচার্য মহোদয়ের উপস্থিতিতে ডুয়েটের পক্ষে এমওইউতে স্বাক্ষর করেন রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহা. আবু তৈয়ব। পিপিএনএস-এর পক্ষে স্বাক্ষর করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক রাচমাদ ত্রি সেলিস্তিজিনো, এস.টি., এম.টি.। এ সময় পিপিএনএস-এর প্রতিনিধি হিসেবে ডুয়েটে উপস্থিত থেকে এমওইউ সম্পন্ন করেন প্রতিষ্ঠানটির সাসটেইনেবল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং টেকনোলজি প্রোগ্রামের প্রধান অধ্যাপক ড. আনিস মুসতাগফিরিন, এস.টি., এম.টি.। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন, মেটেরিয়ালস অ্যান্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ, পরিচালক (গবেষণা ও সম্প্রসারণ) অধ্যাপক ড. মো. আনওয়ারুল আবেদীন এবং অন্যান্য শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ। 

এই সমঝোতা স্মারকের মধ্য দিয়ে দুই দেশের দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার সেতুবন্ধন আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এমওইউ-এর আওতায় শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা ও প্রকাশনা থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক কনফারেন্স আয়োজন, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে সমাজসেবামূলক কার্যক্রম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এক্সচেঞ্জ কর্মসূচি, পারস্পরিক ল্যাব ও ওয়ার্কশপ ব্যবহার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

উল্লেখ্য, পলিটেকনিক পারকাপালান নেগারি সুরাবায়া (পিপিএনএস) ইন্দোনেশিয়ার শিক্ষা, সংস্কৃতি, গবেষণা ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত একটি রাষ্ট্রীয় পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠান, যা ইন্দোনেশিয়ার জাভা প্রদেশের সুরাবায়া শহরে অবস্থিত। এটি বিশেষভাবে জাহাজ নির্মাণ, সামুদ্রিক প্রযুক্তি ও সংশ্লিষ্ট ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে উচ্চমানের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।

January 31, 2026

ডুয়েটে ‘মেকানিক্যাল, ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিএমএমপিই-২০২৬)’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্স সম্পন্ন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ‘মেকানিক্যাল, ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিএমএমপিই-২০২৬)’ শীর্ষক দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এ কনফারেন্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, ‘ইতোমধ্যে গৌরব আর নানা অর্জনের মধ্য দিয়ে ডুয়েট দেশের অন্যতম একটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তরুণ গবেষকদের মধ্যে উৎসাহ ও উদ্দীপনা তৈরির মাধ্যমে ডুয়েটের আয়োজিত এ কনফারেন্স চতুর্থ শিল্প বিল্পবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমাদেরকে আরো দক্ষ হয়ে উঠতে সহায়তা করবে।’ তিনি বলেন, ‘স্বল্পোন্নত দেশের ক্যাটাগরি থেকে বাংলাদেশের উন্নতির পর জীবনযাত্রার ব্যয় থেকে শুরু করে দেশের সবকিছুতে এর প্রভাব পড়বে। এমতাবস্থায় বিজ্ঞান, প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে গবেষণা ও উদ্ভাবন এবং জ্ঞানের আদান-প্রদানের মাধ্যমে গবেষণা ক্ষেত্রের মান উন্নয়ন ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে দেশের শিল্পখাতকে সমৃদ্ধ করতে এই ধরনের আন্তর্জাতিক কনফারেন্স খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’


এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘যন্ত্রকৌশল অনুষদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগ দিতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। চমৎকার এই কনফারেন্সটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য ডুয়েটের মাননীয় উপাচার্য, আয়োজক কমিটি, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বিশিষ্ট অধ্যাপক এবং দেশ-বিদেশের অন্যান্য অংশগ্রহণকারীদের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’


কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন প্রথম থেকে পর্যায়ক্রমে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের ইতিহাস আলোচনা করে বলেন, ‘যন্ত্রকৌশল, উৎপাদন এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ প্রকৌশল শিল্প উন্নয়ন এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে সাইবার-ফিজিক্যাল সিস্টেম, ইন্টারনেট অব থিংস এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ইত্যাদি প্রধান ভূমিকা পালন করছে। এর ধারাবাহিকতায় আমরা থ্রিডি প্রিন্টিং, স্মার্ট টেক্সটাইল, সবুজ রসায়ন, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ পদ্ধতির মতো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিগুলো প্রত্যক্ষ করছি।’


তিনি বলেন, ‘একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে এসে পঞ্চম শিল্প বিপ্লবের প্রাক্কালে আমার বিশ্বাস, এই কনফারেন্সটি ভবিষ্যতের জটিল প্রকৌশল বিষয়ক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ও দেশের জন্য টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে এবং জ্ঞানের আদান-প্রদান ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। আমি ডুয়েটের যন্ত্রকৌশল অনুষদকে শিক্ষার এবং গবেষণার ক্ষেত্রে তাদের নিরলস প্রচেষ্টা ও কনফারেন্সটি সফল করার জন্য ধন্যবাদ জানাই।’


কনফারেন্সের পৃষ্ঠপোষক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার বলেন, ‘দুইদিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত এ কনফারেন্স এডভান্সড ম্যাটেরিয়ালস, স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিং, টেকসই এনার্জি, নিরাপদ প্রক্রিয়াকরণের মতো বিষয়ে আন্তঃসহযোগিতা, সমন্বিত গবেষণা, উদ্ভাবনী সমাধান এবং পারস্পরিক জ্ঞান বিনিময়ের উপযোগিতা, প্রয়োজনীয়তা ও প্রেরণা নিয়ে সমাপ্ত হতে যাচ্ছে।’ তিনি বলেন, 'গবেষণাকে পেপারে সীমাবদ্ধ না রেখে শিল্প ও সমাজের কল্যাণে এর ব্যবহারিক প্রয়োগই গবেষণার পরিপূর্ণতা আনে। ডুয়েটের অন্যতম লক্ষ্যও এটিই।’ কনফারেন্সের লক্ষ্য উদ্দেশ্যকে কাজে লাগিয়ে এখান থেকে অর্জিত শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য তরুণ গবেষকদের প্রতি তিনি আহবান জানান।


কনফারেন্সের দ্বিতীয় দিনের শুরুতে কী-নোট বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড. সুং ইওন কাং এবং মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. রুইগ্যাং ওয়াং।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন ও কনফারেন্স চেয়ার অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। তিনি সুষ্ঠুভাবে কনফারেন্সটি সফল করতে সহযোগীতা করায় স্পন্সর প্রতিষ্ঠানগুলোসহ অনুষ্ঠান সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কনফারেন্স অরগানাইজিং কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. হাসান মোহাম্মদ মোস্তফা আফরোজ এবং সেক্রেটারি অধ্যাপক ড. এ এন এম মোমিনুল ইসলাম মুকুট।

উল্লেখ্য, দুইদিন ব্যাপী এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বিভিন্ন বিষয়ে মোট ১৯৫ টির অধিক টেকনিক্যাল পেপার, কী নোট বক্তৃতা, ইন্ডাস্ট্রি-অ্যাকাডেমিক কোলাবোরেশন ইত্যাদি উপস্থাপিত হয়েছে এবং এর মধ্য থেকে বেস্ট পেপার অ্যাওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান স্টেট ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. রুইগ্যাং ওয়াং ও ডুয়েটের পিএইচডি গবেষক মনির হোসেন বেস্ট পেপার উপস্থাপনের জন্য যৌথভাবে অ্যাওয়ার্ড পান। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তাসহ দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও গবেষকগণ অংশগ্রহণ করেন

January 30, 2026

ডুয়েটে যন্ত্রকৌশল অনুষদের উদ্যোগে দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রি.) ‘থার্ড ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অন মেকানিক্যাল, ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যান্ড প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং (আইসিএমএমপিই-২০২৬)’ শীর্ষক দুইদিন ব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধন করা হয়।


মেকানিক্যাল, ম্যানুফ্যাকচারিং, এনার্জি, টেক্সটাইল, ফুড, কেমিক্যাল এবং প্রোসেস ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে অধিকতর গবেষণা ও উদ্ভাবনকে লক্ষ্য রেখে আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামে যন্ত্রকৌশল অনুষদের উদ্যোগে আয়োজিত এ আন্তর্জাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের মাননীয় চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিসেস ফারজানা মমতাজ। কনফারেন্সের প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। পৃষ্ঠপোষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার।


উদ্বোধনী বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য বলেন, ‘আমরা চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করেছি। চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তিগত রূপান্তরের মধ্য দিয়ে একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে, যা ন্যানোটেকনোলজি, অটোমেশন, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস, এডভান্সড সেন্সর, এডিটিভ ম্যানুফ্যাকচারিং (থ্রিডি প্রিন্টিং), শক্তি সঞ্চয়, বৈদ্যুতিক যানবাহন, রোবোটিক্স এবং স্মার্ট ম্যাটিরিয়ালসের মতো প্রযুক্তির উৎকর্ষ ও বিকাশের মাধ্যমে বিশ্বকে সমৃদ্ধ করছে।’


তিনি বলেন, ‘ভারী শিল্প, ডিজিটাল প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিদ্যার ত্রিমাত্রিক রূপান্তরের মাধ্যমে পুরানো প্রযুক্তি ছাড়িয়ে মানব সভ্যতা এখন নবতর রূপ লাভ করছে। ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বে মোট কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্যে জলবায়ু পরিবর্তন, সম্পদের ঘাটতি এবং টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়সমূহকে সামনে রেখে সময়, অর্থ ও শক্তি সাশ্রয়ী এ আবিষ্কারগুলো ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবেলা করতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।’ বক্তব্যে তিনি উদ্ভাবনগলোর সুফল কাজে লাগিয়ে যন্ত্রকৌশল অনুষদের প্রকৌশলীদের দেশ ও জাতিকে পঞ্চম শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নেতৃত্ব দেওয়ার আহবান জানান। জুলাই অভ্যুত্থানের স্পিরিট ধারণ করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নবতর গবেষণা ও উদ্ভাবনের জন্য শিক্ষক, গবেষক, উদ্ভাবক ও শিল্প উদ্যোক্তাসহ সকলকে একযোগে কাজ করারও আহ্বান জানান তিনি।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য বলেন, ‘মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এখন কেবল যন্ত্রপাতিতেই সীমাবদ্ধ নয়। এডভান্সড ও লাইটওয়েট হাই-স্ট্রেন্থ ন্যানো ম্যাটেরিয়ালস, ডিজিটাল ম্যানুফেকচারিং, এপ্লাইড মেকানিকস, থার্মোফ্লুইডস, এনার্জি এফিশিয়েন্ট থার্মাল সিস্টেম, ট্রাইবোলজি, বায়োডিগ্রেডেবল ফাইবার, নবায়নযোগ্য হাইব্রিড গ্রিড, হাইড্রোজেন এনার্জি সিস্টেমস, ফায়ার সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি আধুনিক মানব সভ্যতায় ব্রেকথ্রু এনে দিয়েছে।’ গবেষণামূলক দৃষ্টিভঙ্গী তৈরি, নিত্যনতুন আইডিয়ার বাস্তবায়ন ও জ্ঞানের সম্প্রসারণের মাধ্যমে মানব সভ্যতাকে এক ধাপ সামনে এগিয়ে নিতে এ কনফারেন্স  ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। 


কনফারেন্স চেয়ার ও যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন কনফারেন্সে অংশগ্রহণকারীদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, ‘প্রকৌশল প্রযুক্তির সর্বাধুনিক জ্ঞানের বৈশ্বিক বিনিময়ের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এ কনফারেন্স আগামীর টেকসই পৃথিবী গড়তে ভূমিকা রাখবে।’


কনফারেন্সের অরগানাইজিং সেক্রেটারির বক্তব্যে ইনস্টিটিউট অব এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পরিচালক অধ্যাপক ড. এ এন এম মোমিনুল ইসলাম মুকুট বলেন, ‘ইঞ্জিনিয়ারিং এখন প্রথাগত ল্যাব ও ক্লাসরুমের গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ভূমিকা রাখছে। আইসিএমএমপিই-২০২৬ তরুণ গবেষকদেরকে অভিজ্ঞ একাডেমিশিয়ান ও শিল্পখাতের উদ্যোক্তাদের সাথে সেতুবন্ধন গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে।’

 

কনফারেন্সের প্রথম দিনে কী নোট স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাপানের সাগা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আকিও মিয়ারা, পিএইচডি ও টোকিও মেট্রোপলিটন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিরোমিচি ওবারা, পিএইচডি। আরও বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়ার আরএমআইটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিজিং ওয়াং, পিএইচডি এবং ইন্দোনেশিয়ার পলিটেকনিক পারকাপালান নেগারির ড. মুহাম্মদ আনিস মুস্তাগফিরিন এসটি., এমটি.।


দুইদিন ব্যাপী এ কনফারেন্সে বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশ ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, জাপান, চীন, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন প্রভৃতি দেশের মোট ১৯৫টি পেপার উপস্থাপনের জন্য গৃহীত হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দসহ দেশ-বিদেশের শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও গবেষকগণ অংশগ্রহণ করছেন।

January 29, 2026

ডুয়েটে ১২তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর- ১২তম বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬ আজ বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ প্রাঙ্গণে উৎসবমুখর পরিবেশে বেলুন পায়রা উড়িয়ে প্রতিযোগিতার শুভ উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক . মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন। সময় উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানের পৃষ্ঠপোষক মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক . মো. আরেফিন কাওসার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক . উৎপল কুমার দাস। মাঠাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন পরিচালক (শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র) অধ্যাপক . কাজী রফিকুল ইসলাম। সময় জাতীয় পতাকা, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা, অলিম্পিক পতাকা হলসমূহের পতাকা উত্তোলন করা হয়। দিনব্যাপী প্রতিযোগিতার বিভিন্ন ইভেন্টে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দসহ শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ এবং ক্যাম্পাসের শিশুরা অংশগ্রহণ করেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, প্রভোস্ট, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, অফিস প্রধানগণসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতা শেষে ৩৫টি ইভেন্টের বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। পুরস্কার বিতরণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক . মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক . মো. আরেফিন কাওসারসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।

সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য পরিচালক (শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র) অধ্যাপক . কাজী রফিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ডুয়েটের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব কাজী আবু মনজুর কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক জনাব নুরুজ্জামান।