শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ একান্তভাবে জরুরি- ডুয়েট উপাচার্য
ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন বলেছেন, ‘খেলাধুলার মতো এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ শিক্ষার্থীদের একাডেমিক শিক্ষার পরিপূরক। এটা ভ্রাতৃত্ববোধ, শৃঙ্খলা, সময়ানুবর্তিতা, চরিত্র গঠন এবং নেতৃত্বদানের মতো নানাবিধ ভালো গুণাবলি অর্জনে ভূমিকা রাখে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং মেধা বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিস্ একান্তভাবে জরুরি। তাই আমি মনে করি, আমাদের শিক্ষার্থীরা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে মেধা, মনন এবং দেহের পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য লেখাপড়ার পাশাপাশি এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সৎ গুণাবলি অর্জন করবে।’ তিনি প্রাণপ্রিয় ডুয়েটের অগ্রযাত্রায় শিক্ষার্থীদের একাডেমিক ও এক্সট্রা-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটির মাধ্যমে শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমে ডুয়েট ও দেশের টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রতি গুরুত্ত¡ারোপ করেন।
আজ বুধবার (৩০ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ শাকিল পারভেজ অডিটোরিয়ামের সম্মুখ মাঠে আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতা-২০২৫ এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় উপাচার্য এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. উৎপল কুমার দাস। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্রের পরিচালক অধ্যাপক ড. কাজী রফিকুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে মাননীয় উপাচার্য আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলকে শুভকামনা জানিয়ে বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, শৃঙ্খলা ও ক্রীড়াপ্রেম এই টুর্নামেন্টকে সার্থক করে তুলবে। আজকের এই প্রতিযোগিতা হোক তোমাদের ভ্রাতৃত্ববোধের এক অনন্য উদাহরণ।’ তিনি এ ধরনের আয়োজনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরসহ উপস্থিত সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
বিশেষ অতিথি মাননীয় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার উপস্থিত ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘স্বাস্থ্য সকল সুখের মূল। আর খেলাধুলার মাধ্যমে শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা অর্জন করা যায়। আমি আশা করি, এই আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় তোমরা নিজেদের সুরক্ষা নিশ্চিত করে অংশগ্রহণ করবে এবং তোমাদের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও সৃদৃঢ় হবে।’
এই আন্তঃহল ভলিবল প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ফজলুর রহমান খান হল, ড. কুদরত-ই-খুদা হল, শহীদ মুক্তিযোদ্ধা হল, কাজী নজরুল ইসলাম হল, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হল ও বিজয় ২৪ হলের ১০টি দল অংশগ্রহণ করে। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, হল প্রোভোস্ট, সহযোগী পরিচালক, সহকারী প্রোভোস্ট এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।