January 11, 2024

পুনরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

পঞ্চমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করায় সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় ও পঞ্চমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করার মাধ্যমে এদেশের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি উল্লেখ করেন, তাঁর নিরলস পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘বিস্ময়’এবং ‘রোল মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত। পূর্বের ধারাবাহিকতায় উন্নয়নের মহাসড়ক ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা দেশকে একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করবেন। 

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা সোনার বাংলা বিনির্মাণে ও বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য নিজেকে নিবেদিত রেখে বিরামহীনভাবে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জেল-জুলুম উপেক্ষা করে দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব প্রদান করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত চারবার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়ে এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। নানা প্রতিক‚লতা সত্তে¡ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমুখী কার্যক্রম সারাবিশ্বে আজ প্রশংসা অর্জন করেছে। সম্প্রতি তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রো রেল, এলিভেটেড এ´প্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। তাঁর বিচক্ষণতা, অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন-অগ্রগতির সকল সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। তিনি দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর মতো দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। পঞ্চম মেয়াদে তাঁর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এবং এ ধরণের কর্মসূচীগুলো আরো বেগবান হবে।

এছাড়া উপাচার্য বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাই বাঙালির নব দিগন্তের কান্ডারি, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসুরি ও আমাদের ঐক্যের প্রতীক ও আশা-ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তাঁর নেতৃত্বেই বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাযাত্রায় ২০৪১ সালের আগেই বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও কল্যাণ কামনা করেন।

January 10, 2024

ডুয়েটে ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উদযাপন

যথাযোগ্য মর্যাদা ও বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঐতিহাসিক ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস’ উদযাপিত হয়েছে। আজ বুধবার (১০ জানুয়ারি) সকালে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের  মূল ফটকে অবস্থিত তাঁর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, কর্মচারী সমিতি ও ডুয়েট ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ.দা.), অফিস প্রধানবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে সূর্যোদয়ের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবন, উপাচার্যের বাসভবন, লাইব্রেরি ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে কর্মসূচী শুরু হয়।

স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক বাণীতে বলেন, বাঙালির মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে এক কালজয়ী মহাপুরুষ, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের এই দিনে স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন। সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের মানুষ তাদের প্রাণপ্রিয় নেতাকে ফিরে পায়। মহান নেতার আগমনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের আনন্দ পরিপূর্ণতা লাভ করে। বঙ্গবন্ধুর এই প্রত্যাবর্তন ছিল সদ্য স্বাধীন বাঙালির জাতীয় জীবনে সবচেয়ে বেশি আবেগঘন ঘটনা এবং একটি বড় অনুপ্রেরণা। এই দিনে আমরা জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা শুরু করি। 

তিনি আরো বলেন, অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন সোনার বাংলা গড়ে তোলাই ছিল বঙ্গবন্ধুর আজীবনের লালিত স্বপ্ন। তিনি আমাদের স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন এবং যুদ্ধ-বিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করার লক্ষ্যে তিনি স্বল্প সময়ের মধ্যে সংবিধান প্রণয়ন, শরণার্থী পুনর্বাসন, অর্থনৈতিক পুনর্বাসন ও দেশ গঠন, প্রশাসনিক সংস্কার, প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, বিদ্যুৎ, রাস্তা, রেলসহ সকল অবকাঠামো উন্নয়ন, স্বাস্থ্যখাতে উন্নয়ন, কৃষি ও সমবায়, শিক্ষা, প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিষয়ক গবেষণা, শিল্প ও বহিঃবাণিজ্য, নারী উন্নয়ন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের স্বীকৃতি, জল ও স্থল সম্পদ রক্ষায় নীতিমালা, আইনের শাসন ও দূর্নীতিমুক্ত সমাজ গঠন ইত্যাদি - সকলক্ষেত্রে যথোপযুক্ত উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের সারথী হয়ে তাঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা রক্তেভেজা সেই পতাকা হাতে নিয়ে নিষ্ঠা, সততা ও দক্ষতার সঙ্গে উন্নত ও স্মার্ট দেশ গড়ার লক্ষ্যে আজ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। বাণীতে উপাচার্য ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ তাঁদের পরিবারের শাহাদত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। 

এছাড়া দিবসটি উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ছিল বা’দ যোহর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর আত্মার শান্তি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং বিকেলে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ঘটনাবহুল জীবনের উপর প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। 

January 08, 2024

পুনরায় নির্বাচিত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

 দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয়ের জন্য সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জ্যেষ্ঠ কন্যা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। আজ (০৮ জানুয়ারি, ২০২৪ খ্রি.) সকালে এক অভিনন্দন বার্তায় তিনি বলেন, এই বিজয়ের মাধ্যমে এদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে। তিনি আরো উল্লেখ করেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন  শেখ হাসিনার নিরলস পরিশ্রম ও দূরদর্শী নেতৃত্ব, অকৃত্রিম দেশপ্রেম এদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, স্বাধীনতার মূল্যবোধ ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার ধারা অব্যাহত রাখতে এবং একটি উন্নত ও স্মার্ট দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে ইতিহাসে এক মাইলফলক ও অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছে। তিনি সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখার লক্ষ্যে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

তিনি আরো বলেন, তৎকালীন সামরিক শাসকের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে দেশে ফিরে আসেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা। এর মাধ্যমে অন্ধকার থেকে আলোর পথে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়। দেশে ফিরেই তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য একাগ্রচিত্তে ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ শুরু করেন। তিনি গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন। এরপর দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় লাভের মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ২১ বছর পর বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত চার বার প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হয়ে এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার পথে রয়েছে। নানা প্রতিকুলতা সত্ত্বেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার দূরদর্শী, বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং জনকল্যাণমূখী কার্যক্রম সারা বিশ্বে আজ প্রশংসা অর্জন করেছে। সম্প্রতি তাঁর সুদক্ষ নেতৃত্বের কারণে পদ্মা সেতু নির্মাণ, মেট্রো রেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, কর্ণফুলী টানেল, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ অসংখ্য উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। তিনি দেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় পরিণত করতে রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের পথ ধরে রূপকল্প ২০৪১ ও ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ এর মতো দূরদর্শী কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। তাঁর বিচক্ষণতা, অকৃত্রিম দেশপ্রেম, সাধারণ মানুষের প্রতি ভালবাসা ও মমত্ববোধ এবং কঠোর পরিশ্রমের ফলে আজ কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অবকাঠামো উন্নয়নসহ আর্থ-সামাজিক সকল খাতে বাংলাদেশ অর্জন করেছে বিস্ময়কর অগ্রগতি। আর্থ-সামাজিক ও উন্নয়ন-অগ্রগতির সকল সূচকে বাংলাদেশ বিশ্বের অনেক দেশকে ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের ‘বিস্ময়’ এবং ‘রোল মডেল’ হিসেবে আখ্যায়িত। বাঙালির নব দিগন্তের কান্ডারি, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসুরি জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাদের ঐক্যের প্রতীক ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল।

এছাড়া উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বর্তমান বাংলাদেশ উন্নয়নের মহাযাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ২০৪১ সালের আগেই বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। তিনি বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ূ ও কল্যাণ কামনা করেন।

December 28, 2023

ডুয়েটে অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার’ বিষয়ক কর্মশালা আজ বৃহস্পতিবার (২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। সেই প্রেক্ষাপটে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে বর্তমান সরকার স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল বাস্তবায়ন কার্যক্রমের আওতায় অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থা (জিআরএস) সফ্টওয়্যার বিষয়ক কর্মশালাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। তিনি বিজয়ের এই মাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ ১৪ ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি এবং ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. হিমাংশু ভৌমিক।


ডুয়েটের অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কমিটি ও ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেল (আইকিউএসি)-র উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মশালাটিতে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমআরএইউ), গাজীপুর-এর ডেপুটি রেজিস্ট্রার ও এপিএ ফোকাল পয়েন্ট মোহাম্মদ আবু আল বাসার। কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডুয়েটের এপিএ টিমের টিম লিডার ও আইকিউএসি-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. রাজু আহমেদ। স্বাগত বক্তব্য দেন অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্য-সচিব ও অনিক কর্মকর্তা অতিরিক্ত রেজিস্ট্রার মো. মফিজুর রহমান। 

কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস ও কম্পট্রোলার অফিসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।

December 16, 2023

ডুয়েটে বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে বিজয় দিবস উদযাপন

বিভিন্ন কর্মসূচী ও যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ মহান বিজয় দিবস উদ্যাপিত হয়েছে। আজ (১৬ ডিসেম্বর) শনিবার দিবসটি উপলক্ষ্যে সূর্যোদয়ের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের বাসভবন, প্রশাসনিক ভবন ও হলসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে এ কর্মসূচীর শুরু হয়। সকাল ৮:৩০ ঘটিকায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি, অফিসার্স এসোসিয়েশন, ছাত্র সংগঠন, কর্মচারী সমিতিসহ বিভিন্ন অঙ্গ-সংগঠনের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি ও শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি বিজয় শোভাযাত্রা ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), অফিস প্রধানগণ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। 

বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে উপাচার্য সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে এক বাণীতে বলেন, স্বাধীনতা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। বাঙালির জাতীয় ইতিহাসে বিজয় দিবসের গুরুত্ব ও তাৎপর্য অপরিসীম। বিজয় যেমন আমাদের স্বকীয়তা দিয়েছে, তেমনি বিশ্ব মানচিত্রে প্রতিষ্ঠিত করেছে স্বাধীন জাতি হিসেবে। এই বিজয় অর্জনের পেছনে রয়েছে শোষণ-বঞ্চনার পাশাপাশি রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের ইতিহাস। ’৫২-এর ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে স্বাধীনতার বীজ বপন হয়েছিল, দীর্ঘ আন্দোলন, সংগ্রাম ও নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণার মাধ্যমে তা পূর্ণতা পায়। তাঁরই নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এইদিন চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়। তিনি বিজয়ের এই মাসে ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিবসহ তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।  

উপাচার্য আরো বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শৈশব থেকেই বাঙালি জাতিকে চরম বৈষম্যের হাত থেকে মুক্তির জন্য সংগ্রাম করে গেছেন। তাঁর সারাজীবনের সংগ্রাম ও ত্যাগের ফসল আমাদের এই স্বাধীন বাংলাদেশ। তাই সত্যিকার অর্থে বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হতে হলে তাঁর আদর্শ ও দর্শনকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক ও বৈষম্যহীন স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে। তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য সকলকে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণের আহবান জানান।

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ এক বাণীতে সকলকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলার জন্য শপথ নেওয়ার আহবান জানান।

বিজয় দিবসের অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে রয়েছে বা’দ যোহর জাতির শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ মোনাজাত, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা, রচনা প্রতিযোগিতা এবং বিকেলে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনী। উল্লেখ্য, বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস সেজেছে বর্ণিল আলোকসজ্জায়।

December 14, 2023

ডুয়েটে যথাযোগ্য মর্যাদায় শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত

যথাযোগ্য মর্যাদায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে এবং শহীদ বুদ্ধিজীবীসহ মহান মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এ সময় শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। 

দিবসটিতে অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে ছিলো দিনব্যাপী কালো ব্যাজ ধারণ, বা’দ যোহর শহীদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা। এ কর্মসূচীগুলোতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদসহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অফিস প্রধান এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

December 12, 2023

ডুয়েটে স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস উদযাপিত

বিভিন্ন কর্মসূচীর মধ্য দিয়ে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস-২০২৩ উদ্যাপিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে আজ মঙ্গলবার (১২ ডিসেম্বর) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকের দেয়ালে স্থাপিত সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। এরপর দিবসটি উপলক্ষ্যে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের  উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ, বিভিন্ন অনুষদের ডীনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, পরিচালকবৃন্দ, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), অফিস প্রধানগণ এবং শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের  শহীদ আহ্সান উল্লাহ মাস্টার অডিটোরিয়ামে স্থাপিত জায়ান্ট স্ক্রীনে স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ক ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। 

এরপর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন টিমের উদ্যোগে অনলাইন জুম প্লাটফর্মের মাধ্যমে ‘অভিযোগ প্রতিকার ব্যবস্থাপনা’ বিষয়ক এক ভার্চুয়াল কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনোভেশন টিমের ইনোভেশন অফিসার পরিচালক (ছাত্রকল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। কর্মশালায় রিসোর্স পার্সন হিসেবে যুক্ত ছিলেন এটুআই প্রোগ্রামের কনসালটেন্ট (ডেপুটি সেক্রেটারি) এএইচএম মাহফুজুর রহমান।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপাচার্য বিজয়ের এই মাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ ১৪ ডিসেম্বরের সকল শহীদ বুদ্ধিজীবি ও মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি এবং ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সবসময় বাঙালি জাতিকে বিজ্ঞানমনষ্ক ও শিক্ষিত করে তোলার প্রচেষ্টা করেছেন। তাঁর আদর্শকে ধারণ করে বর্তমান সরকার তথ্য ও প্রযুক্তির মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে স্মার্ট বাংলাদেশে উত্তরণের মাধ্যমে সকল উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। এর ফলে ডিজিটাল সক্ষমতা সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের সুবিধা তৈরি হওয়ায় আমাদের বৈশ্বিক পরিমন্ডলে নিজেদের দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখার সুযোগ তৈরি হয়েছে। এছাড়া চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য বর্তমান সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছেন। তিনি আরো উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের আলোকে স্মার্ট বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইন্টারনেট অব থিংস, ব্লক চেইন, রোবোটিক্স, বিগ ডাটা, মেডিকেল স্ক্রাইব, সাইবার নিরাপত্তার মতো উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

উপাচার্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার চারটি ভিত্তি তথা স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি-এর স্তম্ভগুলো সফলভাবে বাস্তবায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তাঁর সুযোগ্য পুত্র আর্কিটেক অব ডিজিটাল বাংলাদেশ সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মাণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার স্বপ্নকে আরো বেগবান করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান।

কর্মশালায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সেন্টারের পরিচালক ও আইসিটি সেলের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ফজলুল হাসান সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন আইসিটি সেলের সহকারী কম্পিউটার প্রোগ্রামার ইঞ্জিনিয়ার উৎসব রায়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন।


November 03, 2023

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে ডুয়েট উপাচার্যের বাণী

আজ ৩ নভেম্বর। জেল হত্যা দিবস। ১৯৭৫ সালের এই দিনে মানবতাবোধের চরম নির্মমতা ও নিষ্ঠুরতম ঘটনা ঘটেছিল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহকর্মী ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর সেনানী জাতীয় চার নেতা শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ, শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান ও শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী বন্দী অবস্থায় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকদের হাতে নির্মম ও নৃশংসভাবে শাহাদত বরণ করেন। এই দিনটি বাঙালির জাতির জীবনে এক বেদনাবিধুর দিন। 

জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান আজ সকালে এক বাণীতে বলেন, কারাগারের অভ্যন্তরে এ ধরনের বর্বর হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। ওই ঘটনায় দেশবাসীসহ সারা বিশ্ব স্তম্ভিত ছিল। স্বাধীনতা বিরোধী ঘাতকেরা বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার ধারাবাহিকতায় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতাকেও হত্যা করেছিল। এ ঘৃণ্য হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, দেশবিরোধী চক্র বাংলার মাটি থেকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। ঘাতকচক্রের সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। এদেশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর আদর্শ চির অ¤øান রয়েছে। দেশবাসী সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত, তথ্য-প্রযুক্তি সমৃদ্ধ স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। 

তিনি আরো বলেন, কারাগারে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যাকান্ডের শিকার জাতীয় চার নেতার আত্মত্যাগ বাঙালি জাতি চিরকাল শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করবে। বঙ্গবন্ধু যে সুখী-সমৃদ্ধ ‘সোনার বাংলা’ গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন সে অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে আমরা সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে অবদান রাখবো- এটাই হোক জেলহত্যা দিবসে আমাদের অঙ্গীকার। তিনি সবাইকে জাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে সচেতন এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানিয়ে বঙ্গবন্ধু, জাতীয় চার নেতাসহ সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও তাঁদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন।

এছাড়া জেল হত্যা দিবস উপলক্ষ্যে বাদ জুমআ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। 

November 01, 2023

সায়মা ওয়াজেদকে ডুয়েট উপাচার্যের অভিনন্দন

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান।

আজ বুধবার (০১ নভেম্বর, ২০২৩ খ্রি.) এক অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দৌহিত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের অটিজম এবং স্নায়ুবিক জটিলতা সংক্রান্ত বিষয়ের উপর কাজ করছেন। তিনি ২০১১ সালে ঢাকায় অটিজম বিষয়ক প্রথম দক্ষিণ এশীয় সম্মেলন আয়োজন করেন। ২০১৩ সাল থেকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থায় মানসিক স্বাস্থ্যের বিশেষজ্ঞ পরামর্শক হিসেবে কাজ করছেন। অটিজম ও মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তিনি আরো বলেন, বিশ্বখ্যাত মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তাঁর মেধা-মনন ও প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে এ অঞ্চলের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করবেন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও নানামুখী উদ্যোগের কারণে অটিজম শিশুরা আজ আর অবহেলিত হচ্ছে না। বরং তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশসহ বিশ্বব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টির মাধ্যমে এক নিরব বিপ্লব ঘটে চলছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনা ও সায়মা ওয়াজেদের উদ্যোগ ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ইনস্টিটিউট অব প্যাডিয়েট্রিক নিউরো-ডিসঅর্ডার অ্যান্ড অটিজম (ইপনা)। যা অটিজম বিষয়ে দেশব্যাপী সচেতনতা সৃষ্টিতে এবং এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা, শিক্ষা ও পূনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রেখে চলেছেন। 

উপাচার্য আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের (এসইএআরও) আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশকে আরো উচ্চতর পর্যায় নিয়ে যাবেন এবং এ অঞ্চলের অটিজমসহ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভ‚মিকা রাখবেন। তিনি সায়মা ওয়াজেদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন।

উল্লেখ্য, সায়মা ওয়াজেদ ১৯৯৭ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞানে স্নাতক এবং ২০০২ সালে ক্লিনিক্যাল মনস্তত্বে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০০৪ সালে স্কুল সাইকোলজির ওপর বিশেষজ্ঞ ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নের সময় তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নের ওপর গবেষণা করেন। এ বিষয়ে তার গবেষণাকর্ম ফ্লোরিডার অ্যাকাডেমি অব সায়েন্স কর্তৃৃক শ্রেষ্ঠ সায়েন্টিফিক উপস্থাপনা হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

October 18, 2023

ডুয়েটে শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস পালিত

বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ আজ বুধবার (১৮ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন ও শেখ রাসেল দিবস পালিত হয়েছে।

শেখ রাসেল দিবস উপলক্ষ্যে সকালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী পালিত হয়। উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে অংশগ্রহণ করেন উপ-উপাচার্যসহ বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব), অফিস প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ। দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বাণীতে উপাচার্য বলেন, আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ছোট ভাই শহীদ শেখ রাসেলের ৬০তম জন্মদিন। ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর শেখ রাসেলের জন্ম। কিন্তু একটি ফুল কুঁড়িতেই শেষ হয়ে যায়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের নির্মম বুলেট আঘাত হানে তাঁর বুকে। পৃথিবীতে যুগে যুগে রাজনৈতিক হত্যাকান্ড ঘটেছে কিন্তু এমন নির্মম, নিষ্ঠুর এবং পৈশাচিক হত্যাকান্ড কোথাও ঘটেনি; যেখানে এক ছোট্ট শিশু রাসেলও রেহাই পায়নি। শেখ রাসেল বেঁচে থাকলে আজ একজন সু-নাগরিক হিসেবে দেশকে আরো উন্নতির শিখরে নিয়ে যেত। আমরা সেই সুযোগ হারিয়েছি। তাঁর জন্মবার্ষিকীতে আমি শিশুদের মুক্তিযুদ্ধ, বঙ্গবন্ধু-পরিবার তথা শেখ রাসেল সম্পর্কে প্রকৃত ইতিহাস জানানোর জন্য সকলকে প্রচেষ্টা গ্রহণের আহবান জানাই। এছাড়া তিনি বঙ্গবন্ধুর অসাম্প্রদায়িক সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে নতুন প্রজন্মসহ সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহবান জানান। 

দিবসটি উপলক্ষ্যে এক বাণীতে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ বলেন, শেখ রাসেলের স্মৃতি আজও কাঁদিয়ে ফেরে বাংলার মানুষকে। আবহমান বাংলার চিরায়ত শিশুর প্রতিকৃতি হিসেবে শেখ রাসেল প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে বেঁচে থাকবে অনন্তকাল ধরে।

এরপর ক্যাম্পাসে অবস্থিত ঢাকা ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি স্কুলের উদ্যোগে স্কুলের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বাদ যোহর শহীদ শেখ রাসেলের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মন্দির ও উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে শহীদ শেখ রাসেলকে নিয়ে চিত্র প্রদর্শনী, সন্ধ্যায় ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হবে। 

September 28, 2023

ডুয়েটে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন পালিত

সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর জ্যেষ্ঠ কন্যা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা-এঁর ৭৭তম জন্মদিন উদ্যাপন করেছে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর।

আজ (২৮ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা বাণী দেন। বাণীতে তিনি বলেন, বাঙালির নব দিগন্তের কান্ডারি, বঙ্গবন্ধুর যোগ্য উত্তরসুরি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আমাদের ঐক্যের প্রতীক ও ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা বাঙালি জাতির আশা-আকাক্সক্ষার একান্ত বিশ্বস্ত ঠিকানা, বাঙালির বিশ্বজয়ের স্বপ্নসারথী। তাঁর মেধা-মনন, সততা, নিষ্ঠা, যোগ্যতা, প্রাজ্ঞতা, দক্ষতা, সৃজনশীলতা, উদার গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দূরদর্শী নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ স্মার্ট রাষ্ট্র গঠনের পথে দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। তাঁর নিখাদ দেশপ্রেম, দূরদর্শিতা, দৃঢ়চেতা ও মানবিক গুণাবলী তাঁকে আসীন করেছে বিশ্ব নেতৃত্বের আসনে। তিনি শুধু বাংলাদেশই নয়, বিশ্ব পরিমন্ডলে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনা দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। উপাচার্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনা অনুসরণ করে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গঠনের দর্শন নিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে একযোগে কাজ করে যাওয়ার আহবান জানান। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘজীবন কামনা করেন। 

জন্মদিন উপলক্ষ্যে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে আরো ছিল বাদ যোহর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া এবং মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা এবং বিকেলে রয়েছে জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঘটনাবহুল জীবনের উপর ডকুমেন্টারি প্রদর্শনী। 

September 18, 2023

ডুয়েটে ‘ডীনস্ অ্যাওয়ার্ড’ পেলেন কৃতী শিক্ষার্থীরা

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর বিভিন্ন অনুষদের কৃতী শিক্ষার্থীদের ‘ডীনস্ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। আজ সোমবার (১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রি.) বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩১১ নং সেমিনার কক্ষে পুরকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান। এ সময় তিনি ‘ডীনস্ অ্যাওয়ার্ড’ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, তোমাদের এই অর্জন আগামীদিনের জন্য মাইলফলক। মেধাবী এই শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ। তিনি শিক্ষার্থীদের এ গৌরব ধরে রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুর রউফ, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. আরেফিন কাওসার ও বিজ্ঞান অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদ আলম। অনুষ্ঠানে ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষ ও ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ফলাফলে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখায় পুরকৌশল অনুষদের ১০ জন, যন্ত্রকৌশল অনুষদের ২০ জন এবং তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদের ১৩ জন শিক্ষার্থীকে ‘ডীনস্ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। 

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, রেজিস্ট্রার (অ.দা.), প্রোভোস্ট, শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলে উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, এই অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৪৩ জন কৃতী শিক্ষার্থীকে এই ‘ডীনস্ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হলো।

September 01, 2023

ডুয়েট ডে- ২০২৩ উদযাপিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ২০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ডুয়েট ডে-২০২৩ উদ্যাপিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ খ্রি.) সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে রঙিন বেলুন, ফেস্টুন ও পায়রা উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ডুয়েট ডে-র শুভ উদ্বোধন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ও পরিচালক (ছাত্র কল্যাণ) অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম। এরপর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কেক কাটা হয়। এর আগে সূর্যোদয়ের সময় ক্যাম্পাসে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, আজকে আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের দিন। ডুয়েটের প্রতিষ্ঠার এই দিনে নিশ্চয়ই আমাদের অনেক আবেগ, অনেক স্মৃতি রয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই দিনে আমি সর্বপ্রথম গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের, জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের; জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে যাঁদের ত্যাগ ও সংগ্রামের বিনিমনে আমরা এই দেশকে পেয়েছি। তিনি  বলেন, বর্তমান সরকারের সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে দেশের শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য প্রকৌশলীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই উন্নত বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে আমাদেরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রত্যেকের অবস্থান থেকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। তিনি আরো বলেন, যাদের ঐকান্তিক চেষ্টা ও অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ডুয়েট দেশের প্রকৌশল ও প্রযুক্তি শিক্ষার ক্ষেত্রে উন্নত একটি বিদ্যাপিঠে পরিণত হয়েছে তাদের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আগামীদিনে ডুয়েটকে আরো এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ডুয়েটের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীসহ সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার মাধ্যমে প্রকৌশল শিক্ষাকে এগিয়ে নেওয়ার আহবান জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ডুয়েটের শিক্ষার মান উন্নয়ন, সমৃদ্ধি ও গবেষণা কার্যক্রম তুলে ধরে বলেন, ডুয়েট বর্তমান সরকারের ভিশন-মিশন অনুযায়ী শিক্ষা ও গবেষণার ক্ষেত্রে গুনগত মান বজায় রেখে কাজ করে যাচ্ছে। আমরা আশাবাদী ভবিষ্যতে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে। 

অনুষ্ঠানে অন্যান্য কর্মসূচীর মধ্যে ডুয়েট ডে উপলক্ষ্যে কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, প্রভোস্ট, রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব),  শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

August 30, 2023

ডুয়েটে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এঁর ৪৮ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে গতকাল (৩০ আগস্ট, বুধবার) রাতে অনলাইন প্লাটফর্ম জুমের মাধ্যমে ভার্চুয়াল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক ও প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও বরেণ্য কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বরেণ্য কৃষিবিদ অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান বলেন, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খোকা থেকে পর্যায়ক্রমে বঙ্গবন্ধুতে পরিণত হয়েছেন। তিনি দেশভাগের সময় থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, ’৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট, আইয়ুব খানের এক দশকের স্বৈরশাসন-বিরোধী আন্দোলন, ’৬২ ও ’৬৪-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ঐতিহাসিক ৬-দফা আন্দোলন, ’৬৮-এর আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৬-দফাভিত্তিক ’৭০-এর নির্বাচনে ঐতিহাসিক বিজয় ও ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়ে বাঙালি জাতিকে এনে দেন স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ। দেশ স্বাধীনের পর যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলা গড়তে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু ১৯৭৫ এর ১৫ আগস্ট কাল রাতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মধ্য দিয়ে তার ব্যতয় ঘটে। অনেক বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সকলক্ষেত্রে যুগান্তকারী সাফল্য এনে দিয়ে সোনার বাংলা গড়ার কাজে নিজেকে আত্মনিয়োগ করছেন। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি যেমন বঙ্গবন্ধু, তেমনি আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশও বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার নিপুণ দক্ষতা ও অদম্য নেতৃত্বের কারণেই আমরা পেয়েছি।

তিনি আরো বলেন, আজকের এই বেদনা শুধু মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নয় বরং সমগ্র বাঙালি জাতির। এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকল ষড়যন্ত্র নষ্ট করে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে। এছাড়া তিনি সকলকে শিক্ষার্থীবান্ধব  ও অগ্রাধিকারভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখতে আহবান জানান।

অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমান বলেন, ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে হত্যা করে ইতিহাসের কলঙ্কিত বর্বরোচিত অধ্যায় রচিত হয়- যা বিশ্বের ইতিহাসে বিরল। এরপর খুনিচক্র কেবল ব্যক্তি মুজিবকেই হত্যা করে ক্ষান্ত হয়নি, তারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তথা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তির উপর আঘাত হানে। এ ঘৃণ্য হত্যাকান্ডের মাধ্যমে স্বাধীনতার পরাজিত শক্তি, দেশবিরোধী চক্র বাংলার মাটি থেকে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর সহযোগীদের নাম চিরতরে মুছে ফেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধ্বংস এবং বাঙালি জাতিকে নেতৃত্বশূন্য করার অপচেষ্টা চালিয়েছিল। কিন্তু প্রকৃত ইতিহাস ও দর্শন কখনোই মুছে ফেলা যায় না। দেশবাসী সকল ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্র মুক্ত, তথ্য-প্রযুক্তি সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তাই আমাদের উচিত বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও দর্শনে দীক্ষিত হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যাওয়া। 

উপাচার্য সবাইকে জাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে সচেতন থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জানান। তিনি ১৫ আগস্টে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও তাঁদের পরিবারের শাহাদাত বরণকারী সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাসহ জাতীয় চার নেতা এবং মুক্তিযুদ্ধে সকল শহীদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ১৫ আগস্টে শহীদদের প্রতি গভীর শোক প্রকাশ করে এই জঘন্যতম হত্যাকান্ডের ইতিহাস তুলে ধরেন। তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাংলাদেশ, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানানোর মাধ্যমে দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা আমাদের একান্ত দায়িত্ব বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডীন, বিভাগীয় প্রধান, পরিচালক, প্রোভোস্ট, রেজিস্ট্রার (অ. দা.), শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। 

August 21, 2023

সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হলো ডুয়েটের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও বি.আর্ক প্রোগ্রামের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ডুয়েট), গাজীপুর-এর ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষের বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিং ও বি. আর্ক প্রোগ্রামের প্রথমবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসে গতকাল ২০ আগস্ট (রবিবার) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। আজ ২১ আগস্ট (সোমবার) মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, আর্কিটেকচার বিভাগ, কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, মেটেরিয়াল্স এন্ড মেটালার্জিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে উপ-উপাচার্যসহ জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকগণ পরীক্ষার হলসমূহ পরিদর্শন করেন। নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ায় উপাচার্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।